বিয়ের কেনাকাটায় পকেট খালি হওয়ার চিন্তা শেষ! দেশের এই সেরা ৫ পাইকারি বাজারে মিলবে পানির দরে সোনার গহনা!

ভারতের সংস্কৃতি ও উৎসবে গহনার কদর চিরন্তন। বিয়ের মরসুম হোক কিংবা যেকোনো বিশেষ পারিবারিক অনুষ্ঠান—আভিজাত্যের ছোঁয়া ছাড়া সাজ যেন সম্পূর্ণ হয় না। উৎসবের এই মরসুমে আপনি যদি সেরা ও আকর্ষণীয় গহনায় নিজেকে সাজাতে চান, তবে দেশের এমন কিছু শীর্ষস্থানীয় পাইকারি গহনার বাজারের খোঁজ রাখা জরুরি, যেগুলি পাথরখচিত কাজ, কুন্দন, মীনাকারি, টেম্পল ডিজাইন থেকে শুরু করে খাঁটি সোনা-রুপোর নান্দনিক সম্ভারের জন্য সর্বভারতীয় স্তরে বিখ্যাত। এই বাজারগুলিতে কেবল আধুনিক ও ঐতিহ্যবাহী নকশার মেলবন্ধনই দেখা যায় না, বরং সাশ্রয়ী মূল্যে সেরা মানের কৃত্রিম ও আসল গহনা সংগ্রহ করা যায়।

তালিকায় প্রথমেই রয়েছে মুম্বাইয়ের প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক জাভেরি মার্কেট, যা কৃত্রিম ও আসল গহনার অন্যতম বৃহত্তম কেন্দ্র। এখানে পোলকি কানের দুল, অ্যান্টিক পিস থেকে শুরু করে ব্রাইডাল সেটের সর্বশেষ কালেকশন সুলভে পাওয়া যায়। রাজস্থানের পিঙ্ক সিটির জোহরি বাজার অষ্টাদশ শতাব্দী থেকে কুন্দন, পোলকি এবং মীনাকারি কাজের জন্য বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছে। অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বৌবাজার কেবল ঐতিহ্যবাহী সোনালী সম্ভারের জন্যই নয়, বরং গহনার জেলা হিসেবেও সমাদৃত। তেলেঙ্গানার হায়দ্রাবাদের বেগম বাজার প্রায় চার শতাব্দী পুরনো দক্ষিণ ভারতের বৃহত্তম পাইকারি বাজার, যেখানে গহনার পাশাপাশি দৈনন্দিন নানা সামগ্রীর বিশাল সমাহার রয়েছে। রাজধানী দিল্লির চাঁদনি চকের দরিবা কালান সোনা-রুপো ও কুন্দনের জন্য বিখ্যাত হলেও, কৃত্রিম ও সস্তা গহনার জন্য সদর বাজার, লাজপত নগর বা করোল বাগ অতুলনীয়। পাশাপাশি, গুজরাটের আহমেদাবাদের মানেক চক একাধারে সোনা-রুপোর গহনা, শাকসবজির বাজার এবং বিখ্যাত স্ট্রিট ফুডের অনন্য ত্রয়ী রূপ নিয়ে বসে।