তৃণমূলের দুই পক্ষকে নিয়ে বড় জট! মহাবিস্ফোরণ ঘটিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর কি নতুন কোনো শুনানি করবে নির্বাচন কমিশন?

রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়িয়ে ফের একবার নজিরবিহীন পদক্ষেপ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। গত কালই তৃণমূল কংগ্রেসের দুটি ভিন্ন পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর এবার সরাসরি ‘কালীঘাট তৃণমূল’-এর কাছে লিখিত জবাব তলব করল কমিশন। ‘ঋতব্রত তৃণমূল’-এর পক্ষ থেকে জমা দেওয়া বিভিন্ন তথ্য ও নথির চুলচেরা বিশ্লেষণের পরই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ‘কালীঘাট তৃণমূল’-কে তাদের দাপ্তরিক জবাব জমা দিতে হবে। কমিশনের এই পদক্ষেপে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্রের খবর, জোড়াফুল শিবিরের অন্দরে চলতে থাকা রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং আইনি জটিলতা কাটাতে কমিশন অত্যন্ত কড়া মনোভাব নিয়েছে। গত কাল দীর্ঘ বৈঠকের মাধ্যমে দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর, ঋতব্রত শিবিরের জমা দেওয়া নথিগুলির সত্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করে কমিশন। সেই পর্যালোচনার ভিত্তিতেই ‘কালীঘাট তৃণমূল’-এর কাছ থেকে নির্দিষ্ট বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যদি এই জবাব না আসে, তবে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
শুধু তাই নয়, এই সমগ্র আইনি জটিলতা এবং জমা পড়া নথিগুলির ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ফের একটি উচ্চপর্যায়ের শুনানি করতে পারে নির্বাচন কমিশন। রাজ্য রাজনীতিতে যখন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে কমিশনের এই কড়া নজরদারি ও কড়া নির্দেশ শাসকদলের অন্দরে অস্বস্তি অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। ১৬ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ‘কালীঘাট তৃণমূল’ কী জবাব দেয় এবং ১৭ সেপ্টেম্বরের সম্ভাব্য শুনানিতে কমিশন কী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।