‘শুভেন্দু যা দায়িত্ব দেবেন, পালন করব’, নন্দীগ্রামের সম্ভাব্য প্রার্থী হতেই বড় বার্তা হাসি রানির

আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। নির্বাচন কমিশন দিন ঘোষণা করার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। এই হাইভোল্টেজ কেন্দ্রে এবার বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে জোরালোভাবে উঠে আসছে হাসি রানি রথের নাম। তিনি শুভেন্দু অধিকারীর প্রয়াত আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা।

দলীয় সূত্রে খবর মিললেও এখনও পর্যন্ত বিজেপির তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হাসি রানিকে টিকিট দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলার সময় এখনও আসেনি। দলের অন্দরের গুঞ্জন থেকেই তাঁর নাম প্রকাশ্যে এসেছে।

এই জল্পনার মাঝেই সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলেছেন হাসি রানি রথ। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, দল যদি তাঁকে কোনও গুরুদায়িত্ব অর্পণ করে, তবে তা পালন করতে তিনি প্রস্তুত। তাঁর কথায়, শুভেন্দু অধিকারী তাঁদের পরিবারের অভিভাবকতুল্য। তিনি যে নির্দেশ দেবেন, তা মাথা পেতে নেবেন।

পরিবারের দাবি অনুযায়ী, হাসি রানি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ফলে নির্বাচনী ময়দান তাঁর কাছে নতুন কিছু নয়। বড় কোনও দায়িত্ব পেলে নিজের অভিজ্ঞতা ও সামর্থ্য উজাড় করে তা পালন করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারীকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, প্রার্থীর নাম সম্পূর্ণভাবে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ঠিক করে। শেষ মুহূর্তের ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে প্রার্থী যেই হোন না কেন, নন্দীগ্রামের মাটিতে বিজেপির জয় নিয়ে তিনি শতভাগ আত্মবিশ্বাসী। আগের সমস্ত জয়ের রেকর্ড ভেঙে ব্যবধান আরও বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে বলে জানান সৌমেন্দু।

নন্দীগ্রামের পাশাপাশি আগামী ৬ অক্টোবর রেজিনগরেও উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রধান আকর্ষণ এখন নন্দীগ্রামের দিকেই। শেষ পর্যন্ত বিজেপির টিকিটে হাসি রানি রথের নাম সিলমোহর পায় কি না, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।