“ভিসা ফ্রি এন্ট্রি তো মিলবে, তবে…?”-থাইল্যান্ডে গিয়ে বড় বিপদে পড়ার আগে জানুন নয়া নিয়ম

থাইল্যান্ডে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে ব্যাগ গোছানোর আগে অবশ্যই জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ এই পরিবর্তনের কথা। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ভারতীয় সাধারণ পাসপোর্টধারী পর্যটকরা ভিসা ছাড়াই থাইল্যান্ডে প্রবেশ করতে পারলেও, সেখানে থাকার সময়সীমা ৬০ দিন থেকে কমিয়ে ৩০ দিন করা হচ্ছে। অর্থাৎ ভিসামুক্ত প্রবেশের সুবিধা বহাল থাকলেও সময়সীমা অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। ব্যাংককস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এই সুবিধা গ্রহণকারী পর্যটকদের জন্য একটি নতুন নির্দেশিকা ও পরামর্শ জারি করেছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী থাইল্যান্ড ভ্রমণের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলি অত্যন্ত জরুরি:

  • পাসপোর্টের বৈধতা: থাইল্যান্ডে পৌঁছানোর তারিখ থেকে পাসপোর্টের অন্তত ৬ মাসের মেয়াদ থাকা বাধ্যতামূলক।

  • রিটার্ন টিকিট: ভিসা ছাড়ের সুবিধা পেতে পর্যটকদের কাছে নিশ্চিত রিটার্ন বা পরবর্তী গন্তব্যের টিকিট থাকা আবশ্যিক।

  • হোটেল বুকিং ও প্ল্যান: থাকার জায়গার নিশ্চিত বুকিং এবং পরিষ্কার ভ্রমণ পরিকল্পনা বা আইটিনারি হাতের কাছে রাখতে হবে।

  • নগদ অর্থের বাধ্যবাধকতা: ইমিগ্রেশনে আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ হিসেবে মাথাপিছু অন্তত ২০ হাজার থাই বাথ (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৫৭,৮৯৯ টাকা) নগদ সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক। ক্রেডিট কার্ড বা ডিজিটাল পেমেন্টকে সবসময় যথেষ্ট বলে ধরা হয় না।

  • ডিজিটাল অ্যারাইভাল কার্ড: আকাশ, স্থল বা জল—যেসুত্রেই প্রবেশ করুন না কেন, থাইল্যান্ডে পৌঁছানোর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ‘Thailand Digital Arrival Card’ (TDAC) পূরণ করা বাধ্যতামূলক।

  • ট্রানজিট নিয়ম: থাইল্যান্ড যদি কেবল ট্রানজিট পয়েন্ট হয়, তবে চূড়ান্ত গন্তব্যের সমস্ত বৈধ নথি ও ভিসা সঙ্গে রাখা জরুরি।

ভ্রমণের আগে প্রয়োজনীয় নথি ও নগদ অর্থের সঠিক ব্যবস্থা রাখলে ইমিগ্রেশনে যেকোনো ধরনের অনভিপ্রেত ঝামেলা এড়ানো সম্ভব হবে।