অষ্টম বেতন কমিশনের মেগা আপডেট! ন্যূনতম বেতন কি একলাফে ৬৮,০০০ টাকা হতে চলেছে?

অষ্টম বেতন কমিশন ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর চেন্নাইতে তাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। কমিশনের সামনে নিজেদের দাবিদাওয়া ও মতামত তুলে ধরার জন্য যোগ্য কর্মচারী ইউনিয়ন এবং পেনশনভোগী সংগঠনগুলোর কাছে এই বৈঠকটি ছিল একটি মোক্ষম সুযোগ। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আগে পেনশনভোগীদের নানা অভিযোগ এবং সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবিগুলো খতিয়ে দেখতে এই বৈঠক বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। ‘দ্য হিন্দু’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, অবসরকালীন সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, পেনশন সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বেতন ও সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
চেন্নাই জিপিও (GPO) পেনশনভোগী ফোরামের পক্ষ থেকে অষ্টম বেতন কমিশনের কাছে ৫টি প্রধান দাবি পেশ করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দাবিটি হলো পুরনো পেনশন ব্যবস্থা (OPS) পুনর্বহাল করা, যা সরকারি কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি। পাশাপাশি, অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও তাঁদের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে উচ্চতর পেনশন ও পারিবারিক পেনশন বাড়ানোর জোরালো সওয়াল করা হয়েছে। কমিউটেড পেনশন বা এককালীন অগ্রিম পেনশন বাবদ অর্থ কর্তন থেকে রেহাই পেতে সুনির্দিষ্ট ছাড়ের দাবিও তোলা হয়েছে, কারণ এই বিষয়টি সরাসরি মাসিক পেনশনের ওপর প্রভাব ফেলে।
এছাড়া, মডিফাইড অ্যাসিওর্ড ক্যারিয়ার প্রগ্রেসন (MACP) সুবিধার পুনর্বিবেচনা এবং ডাক বিভাগের কর্মীদের জন্য উন্নত পদোন্নতির সুযোগ ও বেতন কাঠামোর দাবি জানানো হয়েছে। ভাতা, ছুটির সুযোগ-সুবিধা এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি একটি স্থায়ী বেতন-সংশোধন ব্যবস্থা চালু করার দাবিও উঠেছে। সবথেকে বড় কথা, প্রতিনিধিদের তরফ থেকে ন্যূনতম বেতন ৬৮,০০০ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে গঠিত অষ্টম বেতন কমিশন ২০২৭ সালের মে-জুন মাসের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পেশ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।