Pink Card-কারা পাবেন, কারা নয়, কোন ৫ ডকুমেন্ট লাগবে?

রাজ্যের মহিলাদের জন্য সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা চালু রয়েছে। তবে এই ব্যবস্থার পরিবর্তনে এবার বড়সড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে প্রশাসন। এতদিন পর্যন্ত ভোটার বা আধার কার্ড দেখিয়েই মহিলারা এই সুবিধা পেলেও, খুব শীঘ্রই রাজ্যে বাধ্যতামূলক হতে চলেছে ‘পিঙ্ক কার্ড’। এই কার্ড যাঁদের কাছে থাকবে, শুধুমাত্র তাঁরাই সরকারি বাসে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন। অন্যথায় বাসে উঠলে সাধারণ নিয়মেই ভাড়া দিতে হবে। ফলে এই কার্ডের জেরে ফ্রি বাস যাত্রার নিয়মে বড় পরিবর্তন আসছে।

কারা পাবেন এই পিঙ্ক কার্ড?

সরকারি সূত্রের খবর অনুযায়ী, রাজ্যের সমস্ত মহিলাকে এই পিঙ্ক কার্ড দেওয়া হবে না। কিছু নির্দিষ্ট আর্থিক ও সামাজিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে এই কার্ড ইস্যু করা হবে।

  • যাঁরা পিঙ্ক কার্ড পাবেন: পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা, যাঁদের পারিবারিক আয় কম, যাঁদের ভোটার লিস্টে নাম রয়েছে এবং যাঁরা বাসের নিয়মিত ভাড়া বহন করতে অক্ষম, মূলত তাঁদের এই কার্ড দেওয়া হবে।

  • যাঁরা পিঙ্ক কার্ড পাবেন না: পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা না হলে, রাজ্যের ভোটার না হলে, যাঁদের পরিবারের আয় তুলনামূলকভাবে বেশি কিংবা যারা নিয়মিত আয়কর দেন, তাঁরা এই সুবিধার আওতায় আসবেন না।

আবেদনের জন্য কী কী নথিপত্র প্রয়োজন?

পিঙ্ক কার্ডের জন্য আবেদন করতে হলে নির্দিষ্ট কিছু ডকুমেন্টস সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক। এর মধ্যে রয়েছে:

  • আধার কার্ড

  • ভোটার কার্ড

  • ভোটার তালিকার রোল ও নম্বর

  • পাসপোর্ট সাইজ ছবি

  • সচল মোবাইল নম্বর

এর পাশাপাশি আবেদনকারীর আর্থিক সচ্ছলতা ও জীবিকা সংক্রান্ত কিছু তথ্যও যাচাই করা হতে পারে।

কবে থেকে চালু হচ্ছে এই কার্ড এবং কোথায় আবেদন?

আপাতত এই কার্ড চালুর ক্ষেত্রে কিছুটা সময় লাগবে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আসন্ন দুর্গাপুজোর আগে এই কার্ড হাতে পাওয়ার সম্ভাবনা কম। উৎসবের মরশুম মিটলে তবেই ধীরে ধীরে এই প্রক্রিয়া চালু করা হতে পারে। আবেদন করার জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে শীঘ্রই একটি নতুন পোর্টাল লঞ্চ করা হতে পারে, যার মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এছাড়া সরাসরি মিউনিসিপ্যালিটি, কর্পোরেশন, বিডিও (BDO) এবং এসডিও (SDO) অফিসে গিয়েও এই কার্ড বানিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা থাকতে পারে।