আইটিআর ফাইল করেছেন অথচ রিফান্ডের টাকা আসেনি? এক ক্লিকেই জেনে নিন কোথায় আটকে রয়েছে আপনার প্রাপ্য টাকা!

করদাতারা নিয়মমাফিক আয়কর রিটার্ন (আইটিআর) দাখিল করলেও বহু ক্ষেত্রেই সময়মতো রিফান্ডের টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছয় না। প্রসেসিং সম্পন্ন হওয়ার পরেও কেন এই বিলম্ব ঘটছে, তা নিয়ে চিন্তা বাড়ছে সাধারণ মানুষের। আয়কর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামান্য কিছু ভুলের কারণেই মূলত এই বিপত্তি ঘটে। টাকা আটকে যাওয়ার এই জট কাটাতে ই-ফাইলিং পোর্টালে গিয়ে অবিলম্বে ৫টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও প্রি-ভ্যালিডেশন: রিফান্ড না পাওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ হলো ভুল ব্যাঙ্কের তথ্য। পোর্টালের অ্যাকাউন্টটি প্রি-ভ্যালিডেটেড কি না এবং সেখানে থাকা নামের সঙ্গে প্যানের নাম হুবহু মিলছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে হবে। অ্যাকাউন্ট বন্ধ থাকা বা আইএফএসসি কোড ভুল থাকলেও টাকা আটকে যায়।

ই-ভেরিফিকেশন স্ট্যাটাস: শুধু রিটার্ন ফাইল করলেই কাজ শেষ হয় না। আধার ওটিপি বা নেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে সময়মতো আইটিআর ই-ভেরিফাই করা বাধ্যতামূলক। এটি না করলে রিটার্ন প্রসেস আটকে যায় এবং রিফান্ড পেতে দেরি হয়।

পুরোনো কর বকেয়া: অনেক সময় রিফান্ডের টাকা আটকে থাকে না, বরং বিগত কোনো বছরের বকেয়া মেটাতে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাডজাস্ট করে নেয় আয়কর বিভাগ। পোর্টালে এমন কোনো নোটিশ বা সেকশন ২৪৫-এর তথ্য রয়েছে কি না, তা চেক করা দরকার।

টিডিএস এবং এআইএস মেলবন্ধন: আইটিআর-এ দেখানো টিডিএস-এর পরিমাণ ফর্ম ১৬, ফর্ম ২৬এএস এবং এআইএস (AIS)-এর সঙ্গে হুবহু মিলতে হবে। তথ্যে অমিল থাকলে রিটার্ন প্রসেসিংয়ে সমস্যা তৈরি হয়।

প্রসেসিং স্ট্যাটাস ও রিফান্ড ফেইলড: শুধু ব্যাঙ্কের পাসবুক চেক না করে আয়কর পোর্টালে গিয়ে ‘ভিউ ফাইলড রিটার্নস’ থেকে আসল স্ট্যাটাস দেখে নিন। সেখানে যদি ‘রিফান্ড ফেইলড’ মেসেজ দেখায়, তবে ব্যাঙ্কের বিবরণ সংশোধন করে রিফান্ড রি-ইস্যুর আবেদন করতে হবে।