জনগণনার অনলাইন ফর্ম কি ভরেননি? চিন্তা দূর করতে জেনে নিন সরকারের বিরাট ঘোষণা

দেশজুড়ে শুরু হওয়া প্রথম ডিজিটাল জনগণনার সেলফ এনুমারেশনের সময়সীমা গত ১৫ অগাস্ট শেষ হয়েছে। রাজ্যজুড়ে এই প্রক্রিয়া চললেও সচেতনতার অভাব কিংবা নানা ব্যস্ততার কারণে বহু মানুষ নির্দিষ্ট ডেডলাইনের মধ্যে অনলাইনে নিজেদের পরিবারের তথ্য পূরণ করতে পারেননি। আর যাঁরা এই ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেননি, তাঁদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে—তাহলে কি তাঁদের জনগণনা বাদ যাবে?
প্রশাসনিক উদ্বেগ ও ঘরে বসে তথ্য পূরণের সুযোগ
প্রশাসনের তরፍ থেকে অনলাইনে সেলফ এনুমারেশন সফল করতে একাধিক প্রচার ও উদ্যোগ নেওয়া হলেও, রাজ্যের একটি বড় অংশের মানুষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি। তবে যাঁরা বাড়ির বাইরে থাকার কারণে বা অন্য কোনো ব্যস্ততায় ১ থেকে ১৫ অগাস্টের মধ্যে অনলাইনে ফর্ম ফিলআপ করতে পারেননি, তাঁদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে সরকার।
এবার কী করবেন সাধারণ মানুষ?
প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, ডিজিটাল সেলফ এনুমারেশনের সময়সীমা শেষের পর ১৬ অগাস্ট থেকে রাজ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে দ্বিতীয় ধাপের কাজ—অর্থাৎ বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই ও জনগণনা। এই কাজ চলবে আগামী ১ মাস অর্থাৎ ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
যাঁরা অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ করেছেন: যাঁরা সফলভাবে ডিজিটাল এনুমারেশন সম্পন্ন করেছেন, তাঁরা একটি ১১ ডিজিটের ইউনিক নম্বর পেয়েছেন (যা এসএমএস বা ইমেলের মাধ্যমে এসেছে)। সেই নম্বরটির স্ক্রিনশট বা প্রিন্টআউট হাতের কাছে রাখতে হবে। জনগণনকর্মীরা বাড়িতে এলে এই নম্বরটি দেখালে কাজ দ্রুত শেষ হবে, আলাদা করে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে না।
যাঁরা অনলাইনে অংশ নেননি: যাঁদের সেলফ এনুমারেশন করা হয়ে ওঠেনি, তাঁদের ভয়ের কোনো কারণ নেই। জনগণনাকারীরা সরাসরি বাড়ি বাড়ি যাবেন। তাঁদের সঙ্গে সহযোগিতা করে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও তথ্য দিয়ে ফর্ম পূরণ করে নেওয়া যাবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কাজে পুরকর্মী এবং স্থানীয় প্রশাসনকে সাহায্য করার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদেরও যুক্ত করা হয়েছে, যাতে প্রতিটি পরিবারের তথ্য নির্ভুলভাবে সংগ্রহ করা সম্ভব হয়।