বাজারে এসেই ঝড় তুলেছে লাল কলা! সাধারণ কলার চেয়ে এর স্বাস্থ্য উপকারিতা জানলে অবাক হবেন

বাজারে সচরাচর দেখতে পাওয়া প্রচলিত হলুদ কলার তুলনায় লাল কলাকে বর্তমানে পুষ্টির এক অনন্য উৎস বা খাঁটি ‘সুপারফুড’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর আকর্ষণীয় লাল খোসা এবং ভেতরের হালকা গোলাপি রঙের শাঁস কেবল দেখতেই সুন্দর নয়, বরং এটি স্বাদে অত্যন্ত মিষ্টি এবং স্বাস্থ্যের জন্যও অবিশ্বাস্য রকমের উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রন, পটাশিয়াম, ডায়েটারি ফাইবার, ভিটামিন সি এবং শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ভরপুর মাত্রায় বিদ্যমান রয়েছে। বিশেষ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করা, হজমশক্তি উন্নত করা, রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া দূর করা এবং সার্বقভাবে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এই ফলের জুড়ি মেলা ভার।
মূলত দক্ষিণ ভারত ও নির্দিষ্ট কিছু বিশেষ অঞ্চলে উৎপাদিত হলেও, লাল কলা বর্তমানে সারা দেশজুড়ে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় দ্রুত জায়গা করে নিচ্ছে। সাধারণ হলুদ কলার তুলনায় এই বিশেষ প্রজাতির কলার পুষ্টিগুণ অনেক বেশি সমৃদ্ধ। আয়ুর্বেদ ও প্রাচীন প্রথাগত চিকিৎসা পদ্ধতিতে লাল কলাকে এমন একটি জাদুকরি ফল হিসেবে গণ্য করা হয়, যা শরীরের শক্তি ও জীবনীশক্তিকে বহুগুণ বৃদ্ধি করতে সক্ষম। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মানব শরীরকে ক্ষতিকর ‘ফ্রি র্যাডিক্যাল’-এর আক্রমণ থেকে রক্ষা করে, যা সাধারণত অকাল বার্ধক্য এবং নানা জটিল রোগের জন্য দায়ী।