রান্নার গ্যাস শেষ? আর চিন্তা নেই! বুকিং করার মাত্র ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে সোজা বাড়িতে পৌঁছবে সিলিন্ডার

গত বেশ কিছুদিন ধরে রান্নার গ্যাসের জোগান ও বুকিং নিয়ে সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। সিলিন্ডার সময়মতো না পাওয়ায় হেঁশেল সামলাতে গৃহিণীদের চরম বিপাকে পড়তে হয়েছে। তবে সেই দুঃসময়ের অবসান ঘটিয়ে এবার গ্রাহকদের জন্য এক দারুণ সুখবর নিয়ে হাজির হয়েছে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (IOC)। রান্নার কাজ করতে করতে হঠাৎ যদি সিলিন্ডার ফুরিয়ে যায়, তবে আর ভয়ের কোনো কারণ নেই। বাড়িতে অতিরিক্ত গ্যাস সিলিন্ডার মজুত না থাকলেও এখন থেকে মাত্র ৩ থেকে ৪ ঘণ্টার মধ্যে সরাসরি হোম ডেলিভারি পেয়ে যাবেন গ্রাহকরা। সাধারণ মানুষের এই দুর্ভোগ কমাতে এবং পরিষেবা আরও দ্রুত ও আধুনিক করতে ইন্ডিয়ান অয়েল এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
গ্রাহকদের চরম স্বস্তি দিতে ইন্ডিয়ান অয়েল নিয়ে এসেছে একটি বিশেষ পরিষেবা, যার পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইন্ডেন এক্সট্রালাইট নাও’ (Indane Extralite Now)। এই নতুন ব্যবস্থার আওতায় গ্রাহকরা ১০ কেজির বিশেষ হালকা ওজনের কম্পোজিট গ্যাস সিলিন্ডার হাতে পাবেন। এই পরিষেবার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ও সুবিধা হলো, বুকিং করার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রান্নার গ্যাস গ্রাহকের রান্নাঘরে পৌঁছে যাবে। শুধু দ্রুত ডেলিভারি হওয়াই নয়, এই কম্পোজিট সিলিন্ডারগুলি ঐতিহ্যবাহী লোহার সিলিন্ডারের তুলনায় ওজনে অত্যন্ত হালকা হয়, যার ফলে বাড়িতে এগুলো নাড়াচাড়া করা বা বহন করা অত্যন্ত সহজ। ফলে প্রবীণ নাগরিক বা গৃহিণীদের সিলিন্ডার তোলার ক্ষেত্রে আর আগের মতো কষ্ট করতে হবে না।
এই দ্রুতগতির পরিষেবার সুবিধা নিতে হলে গ্রাহকদের নির্দিষ্ট কিছু সহজ ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে গ্যাস বুক করতে হবে। নতুন গ্যাস কানেকশন নেওয়া হোক কিংবা পুরনো এলপিজি সিলিন্ডার রিফিল করা হোক—পুরো প্রক্রিয়াটি এখন হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। গ্রাহকরা খুব সহজেই অফিসিয়াল ‘ইন্ডিয়ান অয়েল ওয়ান’ অ্যাপ (IndianOil One App), সংস্থার নিজস্ব কাস্টমার পোর্টাল কিংবা অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর (৭৫৮৮৮৮৮৮২৪)-এ মেসেজ বা যোগাযোগ করে সিলিন্ডার বুকিং করতে পারবেন। এছাড়াও নতুন গ্যাস সংযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রেও কাগজপত্রের ঝামেলা এবং দীর্ঘ অপেক্ষার দিন শেষ হয়েছে। অত্যন্ত কম নথিপত্র বা কেওয়াইসি (KYC) জমা দিয়েই খুব কম সময়ে নতুন কানেকশন হাতে পেয়ে যাবেন আবেদনকারীরা। তেল বিপণন সংস্থার এই নতুন পরিষেবা চালু হওয়ায় মধ্যবিত্ত পরিবারগুলির দৈনন্দিন রান্নাঘরের চাপ যে অনেকটাই কমবে, তা বলাই বাহুল্য।