সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক, ‘হর ঘর তিরঙ্গা’য় রাস্তায় মুখ্যমন্ত্রী! একনজরে আজকের ব্যস্ত দিনপঞ্জি

সোমবার রাজ্য রাজনীতিতে এক অত্যন্ত ব্যস্ত দিন। সকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঠাসা কর্মসূচি। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে আয়োজিত ‘জনতার দরবার’-এ সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনবেন তিনি। এর পরেই রয়েছে রাজ্য সরকারের বিশেষ কর্মসূচি—‘হর ঘর তিরঙ্গা’। এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত মিছিলে মুখ্যমন্ত্রীর অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে। দুপুর ১টার পর ধর্মতলার নেতাজি মূর্তির পাদদেশ থেকে শুরু হয়ে বিড়লা তারামণ্ডল পর্যন্ত এই পদযাত্রাটি যাওয়ার কথা।

তবে আজকের কর্মসূচির সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশটি রয়েছে নবান্নে। দুপুর ২টোয় অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে একটি বিশেষ সাংবাদিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্নপূর্ণা প্রকল্পের অধীনে বাংলার লাখ লাখ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৩০০০ টাকা করে পৌঁছানোর বিষয়টি বর্তমানে চর্চায়। অনেকের আবেদন কেন বাতিল হয়েছে বা যাচাই প্রক্রিয়ায় কী কী ত্রুটি ধরা পড়েছে, সেই সব বিষয়ে এদিন বিস্তারিত জানাবেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে থাকবেন সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী মালতি রাভা রায়। এই ঘোষণার অপেক্ষায় রাজ্যের হাজার হাজার উপভোক্তা।

অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর মিছিলে অংশ নেওয়ার কারণে এবং যান চলাচলের নিরাপত্তার স্বার্থে আজ কলকাতার একাধিক রাস্তা বন্ধ রাখা হয়েছে। আজ সোমবার রাস্তায় বেরোনোর আগে শহরবাসীর জেনে রাখা ভালো কোন কোন পথে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এলপিজি সিলিন্ডার, সিএনজি, পেট্রোল, অক্সিজেন, ওষুধ, সবজি, মাছ ও দুধের মতো অত্যাবশ্যকীয় পণ্যবাহী যানগুলিকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

বন্ধ থাকা রাস্তার তালিকায় রয়েছে কিংসওয়ে, আর আর অ্যাভিনিউ, প্লাসি গেট রোড, মেয়ো রোড, জওহরলাল নেহেরু রোড, ক্যাথিড্রাল রোড, কুইন্সওয়ে, রেড রোড, খিদিরপুর রোড, লাভার্স লেন এবং ক্যাসুয়ারিনা অ্যাভিনিউ। এছাড়া কিংসওয়ে, অকল্যান্ড রোড, স্ট্র্যান্ড রোড, ডাফরিন রোডসহ নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় আজ পার্কিং সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পণ্যবাহী ভারী যান চলাচলের ক্ষেত্রেও কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করেছে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ। দ্বিতীয় হুগলি সেতু, এজেসি বোস রোড, সেন্ট জর্জেস গেট রোড, স্ট্র্যান্ড রোড, সিআর অ্যাভিনিউ এবং এসপি মুখার্জি রোডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধমনীতে যান চলাচল আজ ব্যাহত হতে পারে। ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মিছিল চলাকালীন পরিস্থিতি অনুযায়ী রাস্তা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। জরুরি প্রয়োজনে রাস্তায় বেরোনোর আগে ট্রাফিক আপডেটের দিকে নজর রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।