বাজেটে কি টান পড়ছে? জলের দরে ঘর সাজানোর এই ৫টি ম্যাজিক টিপস জানলে অবাক হবেন!

আধুনিক ও ব্যস্ত সময়ে নিজের রুচিমতো ঘর সাজানো বা ইন্টেরিয়র ডিজাইন করা প্রতিটি মানুষের কাছেই এক দারুণ শখ। কিন্তু বর্তমানের লাগামছাড়া দ্রব্যমূল্য এবং বাজারের অগ্নিমূল্য প্রসাধন সামগ্রীর যুগে ঘর সাজাতে গেলে হাজার হাজার টাকা খরচ হয়ে যায়, যা অনেক সময় সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সাধ্যের বাইরে চলে যায়। প্রফেশনাল ইন্টেরিয়র ডিজাইনার দিয়ে ঘর সাজানো কিংবা দামি ফার্নিচার কেনা মানেই পকেটে টান পড়া। তবে সামান্য কিছু বুদ্ধি, সৃজনশীলতা এবং ঘরের চারপাশের অব্যবহৃত বা ফেলে দেওয়া জিনিস সঠিক উপায়ে কাজে লাগালে কোনো বাড়তি খরচ ছাড়াই নিজের সাধের ফ্ল্যাট বা ঘরটিকে অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও প্রিমিয়াম লুক দেওয়া সম্ভব। একটুখানি শৈল্পিক মন আর সঠিক পরিকল্পনাই পারে আপনার বসার ঘর থেকে শুরু করে শোবার ঘরের পুরো রূপ বদলে দিতে।

কম খরচে ঘর সাজানোর অন্যতম প্রধান ও কার্যকরী কৌশল হলো ঘরের লাইটিং বা আলোর সঠিক ব্যবহার পরিবর্তন করা। ঘরের কোণায় সাধারণ সাদা আলোর পরিবর্তে যদি ওয়ার্ম বা উষ্ণ হলুদ আলো কিংবা ফেইরি লাইট ব্যবহার করা হয়, তবে ঘরের পুরো পরিবেশ নিমেষেই স্নিগ্ধ ও আভিজাত্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। এছাড়া পুরোনো কাঠের বাক্স, অব্যবহৃত জারের গায়ে সুন্দর রং বা সুতো পেঁচিয়ে সেগুলোকে পেন হোল্ডার কিংবা ইনডোর প্ল্যান্ট রাখার টব হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। ঘরের দেওয়ালে দামি ওয়ালপেপারের বদলে পুরোনো পত্রিকার পাতা, আকর্ষক পোস্টার বা পরিবারের সুন্দর মুহূর্তের ছবি কোলাজ করে সাজালে এক নান্দনিক ও আধুনিক ছোঁয়া আসে। ইনডোর প্ল্যান্ট বা মানিপ্ল্যান্টের মতো কম যত্নে বেঁচে থাকা সবুজ গাছ ঘরের সতেজতা বাড়ানোর পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।