মুক্তি আগেই নেটপাড়ায় ফাঁস ‘রামায়ণ’-এর মহাকাব্যিক ট্রেলার! রাবণের চরিত্রে দক্ষিণী সুপারস্টার যশের এন্ট্রি দেখেই শোরগোল!

বলিউডের অন্দরে উত্তেজনা এবং জল্পনার পারদ এখন একেবারে তুঙ্গে। নিতেশ তিওয়ারির বহু প্রতীক্ষিত ও মেগাবাজেট ছবি ‘রামায়ণ’ মুক্তি পাওয়ার আগেই এক বড়সড় নিরাপত্তা ফাঁকফোকরের মুখে পড়েছে। নির্ধারিত দিনে ছবির অফিসিয়াল ট্রেলার জনসমক্ষে আসার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত রাখা হয়। আর ঠিক তারপরেই ইন্টারনেটের দুনিয়ায় দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে ছবিটির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্লিপ। লিক হওয়া এই ভিডিওগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে রাবণের চরিত্রে দক্ষিণী সুপারস্টার যশের জমকালো এন্ট্রি এবং দেবলোক থেকে পাতাল লোক জয়ের দৃশ্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার হওয়া কম কোয়ালিটির এই ভিডিওগুলিতে ছবির চোখধাঁধানো ভিএফএক্স, বিশাল ক্যানভাস এবং ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক দেখে ভক্তদের উন্মাদনা এখন আকাশছোঁয়া। তবে ছবি মুক্তির আগেই এভাবে মূল চমক প্রকাশ্যে চলে আসায় নির্মাতাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নেটিজেনদের একটি বড় অংশ। বিনোদনের দুনিয়ার এই বড় ঝামেলার মাঝেই নতুন করে আগুনে ঘি ঢেলেছে সুরকার আমাল মালিক ও তানিষ্ক বাগচীর মধ্যকার প্রকাশ্যে চলা তীব্র দ্বন্দ্ব। ‘সাইয়ারা’ ছবির জনপ্রিয় গান ও রয়্যালটি সংক্রান্ত বকেয়া নিয়ে তৈরি হওয়া বিরোধের জেরে আমাল সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ও দীর্ঘ পোস্ট শেয়ার করেন। যদিও পরবর্তীতে সেই পোস্ট মুছে ফেলা হয়, তবে তার আগেই তা ইন্টারনেটে ঝড়ের বেগে ভাইরাল হয়ে যায়। তানিষ্ককে সরাসরি নিশানা করে আমাল কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন যে, পেশাদার সীমার মধ্যেই থাকা উচিত। এই কাদা ছোড়াছুড়ির জেরে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে কামড়াকামড়ি ও অনৈতিক চর্চা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন গুঞ্জন, যা নিয়ে অনুরাগীরাও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই ভাগে বিভক্ত। অন্যদিকে, ভুয়ো খবরের জেরে সম্প্রতি প্রবল বিড়ম্বনায় পড়েছিলেন বলিউড অভিনেতা বিজয় বর্মা। দেশের সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল ও বিতর্কিত একটি বিষয়কে সামনে রেখে অভিনেতার নাম ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মনগড়া পোস্ট তীব্র গতিতে ছড়িয়ে পড়েছিল। সাধারণ মানুষ ও নেটিজেনরা অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন যে ওই মতামতটি খোদ বিজয় বর্মারই। তবে ভুয়ো প্রচারের বিষয়টি অভিনেতার কানে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই তিনি মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে (সাবেক টুইটার) অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় সমস্ত বিভ্রান্তি দূর করেন। বিজয় সাফ জানিয়ে দেন যে, এই ধরনের কোনো ভুয়ো বা বিতর্কিত বার্তা তিনি কখনওই প্রকাশ করেননি এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরতে থাকা ওই সমস্ত বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য।