ভারতের স্পেসটেক ও ডিপটেক শিল্পে বিরাট বিপ্লব! ফন্ডিং কমে যাওয়ার পরেও কেন বিনিয়োগকারীদের চোখে বাড়ছে চাহিদা?

ফান্ডিং কিছুটা ধীর গতির হলেও ভারতের ডিপটেক ও স্পেসটেক ইকোসিস্টেম নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সর্বকালের সেরা জায়গায় রয়েছে। সম্প্রতি হায়দরাবাদের বিখ্যাত স্পেসটেক ইউনিকর্ন ‘স্কাইরুট অ্যারোস্পেস’-এর সফল অরবিটাল উৎক্ষেপণ এবং প্রথম প্রাইভেট রকেট সফলভাবে কক্ষপথে পৌঁছানো ভারতের মহাকাশ গবেষণায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক তৈরি করেছে। তা সত্ত্বেও, এই ধরনের ক্যাপিটাল-ইনটেনসিভ বা মূলধননির্ভর ব্যবসার ক্ষেত্রে বড় অংকের ফান্ড সংগ্রহ করতে গিয়ে স্টার্টআপগুলিকে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

ভেন্ডর ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে ডিপটেক স্টার্টআপগুলি প্রায় ৬১০ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় কিছুটা কম। তবে বিনিয়োগকারীদের মতে, এই পরিসংখ্যান সেক্টরের প্রতি আস্থার অভাব নির্দেশ করে না, বরং বড় মাপের ম্যাচিউর কোম্পানির ঘাটতিকেই তুলে ধরে। বর্তমানে এথার এনার্জি, পিক্সেল এবং अग्नিকুল কসমসের মতো একাধিক বড় কোম্পানি বড় অঙ্কের তহবিল সংগ্রহের শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পাশাপাশি, সরকারের ১ লক্ষ কোটি টাকার ‘আরডিআই’ (RDI) তহবিল থেকে বড় ধরনের সহায়তার আশা করা হচ্ছে, যা ভারতের উদীয়মান প্রযুক্তি এবং মহাকাশ গবেষণার ভবিষ্যতকে নতুন গতি দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।