এআই কোম্পানির বড় চমক! জেন-জেড ইলেকট্রিশিয়ানদের দেওয়া হচ্ছে ২.৭ কোটি টাকার প্যাকেজ

তথ্যপ্রযুক্তি জগতে যখন বড় বড় সংস্থাগুলোতে কর্মী ছাঁটাই চলছে, ঠিক সেই সময়েই এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছেন জেন-জেড (Gen Z) প্রজন্মের দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ানরা। এআই (AI) মডেল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় বিশাল ডেটা সেন্টারগুলোর নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ ও পরিকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এআই কোম্পানিগুলো এখন কোটি টাকার প্যাকেজ দিতে দ্বিধাবোধ করছে না।

কেন ইলেকট্রিশিয়ানদের এত কদর?

  • ডেটা সেন্টারের গুরুত্ব: এআই মডেল চালানোর জন্য প্রচুর জিপিইউ (GPU) ও সার্ভার প্রয়োজন, যার জন্য প্রয়োজন হয় বিশাল ডেটা সেন্টার। এই সেন্টারগুলোর পরিকাঠামো পরিচালনার জন্য দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ান ও টেকনিশিয়ানদের চাহিদা আকাশচুম্বী।

  • বিপুল উপার্জন: ‘ডার্টি জবস’-এর প্রতিষ্ঠাতা মাইক রো-এর তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকার টেক্সাসের মতো জায়গায় ৩০ বছরের কম বয়সী দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ানরা বার্ষিক ২,৪০,০০০ ডলার (প্রায় ২.৩ কোটি টাকা) থেকে ২,৮০,০০০ ডলার (প্রায় ২.৭ কোটি টাকা) পর্যন্ত আয় করছেন।

  • চাহিদার গ্রাফ: ডেলয়েট (Deloitte)-এর রিপোর্ট বলছে, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ডেটা সেন্টারে কাজের সুযোগ বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, আর ইলেকট্রিক্যাল টেকনিশিয়ানের ক্ষেত্রে সেই বৃদ্ধির হার ১৮০ শতাংশেরও বেশি।

ভারতে কি এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে?

বিশ্বের পাশাপাশি ভারতের বাজারেও ডেটা সেন্টারের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। গুগলের বিশাখাপত্তনমে ১৫ বিলিয়ন ডলারের এআই হাব প্রকল্প এবং মেটা ও রিলায়েন্স জিও-র যৌথ উদ্যোগের ডেটা সেন্টার তৈরির ঘোষণা এই ইঙ্গিতই দেয় যে, ভবিষ্যতে ভারতেও দক্ষ টেকনিশিয়ানদের কাজের সুযোগ ও বেতন কাঠামোর হার অনেক বাড়বে।

কেন এটি ক্যারিয়ারের জন্য সেরা সুযোগ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কাজের বড় সুবিধা হলো: ১. ঋণমুক্ত ক্যারিয়ার: প্রথাগত ডিগ্রিধারী ইঞ্জিনিয়ারদের মতো এদের বিপুল স্টুডেন্ট লোন নিয়ে চিন্তিত হতে হয় না। ২. অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ: প্রয়োজন অনুযায়ী ওভারটাইম করার মাধ্যমে আয়ের অংক আরও বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে। ৩. নিশ্চিত ভবিষ্যৎ: এআই যতদিন থাকবে, ডেটা সেন্টারের গুরুত্ব ততদিন অপরিসীম। তাই দক্ষ কারিগরদের কাজের অভাব হবে না।