‘তহবিল বা দলের রাশ নিয়ে মাথাব্যথা নেই’, তৃণমূলের কোন্দল নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের দড়ি টানাটানি এখন রাজ্য রাজনীতির উত্তপ্ত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে এবার মুখ খুললেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তবে দলের এই টানাপোড়েন নিয়ে তিনি যতটা নির্বিকার, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণের ক্ষেত্রে ততটাই সোচ্চার।

রবিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ সাফ জানান, তৃণমূলের কোন্দল বা দল ভাঙা-গড়ার বিষয়টিকে তিনি বিশেষ আমল দিচ্ছেন না। মন্ত্রী বলেন, “কার হাতে দলের রাশ থাকবে বা কাদের হাতে তহবিল যাবে—সেসব আমাদের চিন্তার বিষয় নয়। স্পিকার, নির্বাচন কমিশন বা হাইকোর্ট এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। বিধানসভায় যাঁরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করবেন, তাঁরাই প্রকৃত শাসক।” তবে তিনি এও যোগ করেন যে, বিধানসভায় একটি শক্তিশালী বিরোধী দল থাকাই গণতন্ত্রের জন্য জরুরি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ

কালীঘাট শিবির কার্যত এখন ‘শেষ’ বলে দাবি করেন দিলীপ ঘোষ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বর্তমান মানসিক অবস্থার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “কালীঘাট আগেই ফাঁকা হয়ে গেছে, তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ হতাশ। বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে গিয়ে নিজের দলের কর্মীকে চড় মারা চরম হতাশারই বহিঃপ্রকাশ।”

বিমানবন্দরের মসজিদে নমাজ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য

এদিন কলকাতা বিমানবন্দরের মসজিদে নমাজ আদায় বন্ধের সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিমানবন্দরের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় মসজিদ বা মন্দির থাকা একেবারেই উচিত নয়। দিলীপ ঘোষের দাবি, “রানওয়ের সম্প্রসারণের জন্য ওই জায়গাটি প্রয়োজন। নিরাপত্তা ও বিমান চলাচলের ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওই মসজিদ ছেড়ে দেওয়া উচিত।”