বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ট্রোলিং? ক্যারিয়ারের শুরুতে বিরাট-রোহিতের পরিসংখ্যান দেখলে চুপ হয়ে যাবেন!

আইপিএলে ৭২টি ছক্কা হাঁকিয়ে অরেঞ্জ ক্যাপ জিতে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন বৈভব সূর্যবংশী। কিন্তু আন্তর্জাতিক মঞ্চে ম্যানচেস্টার, নটিংহ্যাম ও ব্রিস্টলের ম্যাচে তিনি যথাক্রমে ১৪, ১৩ ও ১৫ রান করেছেন। এই পারফরম্যান্সের পরই নেটপাড়ায় তাকে নিয়ে শুরু হয়েছে নানা প্রশ্ন।

বিরাট কোহলির শুরুর ৩ ইনিংস: ২০০৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে বিরাটের অভিষেক হয়। প্রথম ম্যাচে তিনি করেছিলেন মাত্র ১২ রান। দ্বিতীয় ম্যাচে ৩৭ রান করলেও তার স্ট্রাইক রেট ছিল উদ্বেগজনকভাবে ৫৫। তৃতীয় ম্যাচে ২৫ রান করেছিলেন ৬৫ স্ট্রাইক রেটে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৮৫টি সেঞ্চুরির মালিক আজ যে উচ্চতায় রয়েছেন, তার শুরুটা কিন্তু দুর্দান্ত ছিল না।

রোহিত শর্মার শুরুর ৩ ইনিংস: রোহিতের শুরুটাও ছিল লড়াইয়ের। প্রথম ওডিআই ইনিংসে তিনি করেন ৮ রান। এরপর ডারবানের টি-টোয়েন্টিতে অপরাজিত ৫০ করলেও, তার পরবর্তী ইনিংসটি ছিল মাত্র ৮ রানের। ২০১৩ সালে ওপেনার হিসেবে নতুন ভূমিকায় নামার আগে পর্যন্ত রোহিত তার প্রতিভার প্রতি সুবিচার করতে পারেননি বলে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

কেন বৈভবের ওপর আস্থা রাখা জরুরি? ক্রিকেট মহলের মতে, একজন প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে মাত্র তিনটি ম্যাচের ব্যর্থতা দিয়ে বিচার করা অনুচিত। বিরাট বা রোহিত কেউই রাতারাতি কিংবদন্তি হননি। বৈভব প্রতিভাধর, আর সেই কারণেই তিনি জাতীয় দলে জায়গা পেয়েছেন। তাকে নিয়ে বিদ্রূপ না করে বরং তার ওপর আস্থা রাখা উচিত। ফাইনাল টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বৈভবের ব্যাটে বড় ইনিংস দেখার অপেক্ষায় থাকতেই পারেন সমর্থকরা।