ভোট-পরবর্তী অশান্তিতে নাম জড়িয়েছিল, বহরমপুর থেকে ধৃত তৃণমূল নেতা খায়রুল!

দীর্ঘদিনের আত্মগোপনের পর অবশেষে পুলিশের জালে তৃণমূল কংগ্রেসের বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ খায়রুল ইসলাম। রবিবার মুর্শিদাবাদের বহরমপুর এলাকা থেকে উত্তর কাশীপুর ও বিজয়গঞ্জ বাজার থানার পুলিশের একটি যৌথ অভিযানে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত ভোটের পরবর্তী অশান্তির এক মামলায় তাঁর নাম উঠে আসায় দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর খোঁজ করছিল পুলিশ।

কী ছিল অভিযোগ?

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় ভাঙড়ে ব্যাপক অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই অশান্তির অন্যতম ঘটনা ছিল কচুয়া এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল পাহাড়ির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা। অভিযোগ, সেই ঘটনায় সরাসরি নাম জড়িয়েছিল খায়রুল ইসলামের। তখন থেকেই এই মামলার তদন্তে পুলিশ তাঁকে খুঁজছিল।

কেন আত্মগোপনে ছিলেন তিনি?

সূত্রের খবর, পঞ্চায়েত ভোটের পর থেকে এলাকার রাজনৈতিক অস্থিরতার জেরে খায়রুল ইসলাম অস্বস্তিতে ছিলেন। কয়েকদিন আগে তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ ও মারধরের একটি ঘটনাও ঘটে। এরপর থেকেই কার্যত লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যান তিনি। রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের পর পুলিশি তদন্তে গতি আসে এবং বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত রবিবার বহরমপুর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রেফতারের পর তাঁকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে। এই মামলায় জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি, পুরো ঘটনার নেপথ্যে আর কারা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ধৃতের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রের খবর।