সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসল কম্পাস-বিহান! অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে এবার কী করবে তারা?

টেলিভিশনের পর্দায় এখন চূড়ান্ত নাটকীয় মোড়। জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কম্পাস’-এর কাহিনীতে এসেছে এমন এক আকস্মিক পরিবর্তন, যা দর্শকদের উত্তেজনার পারদ বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েক গুণ। টেন্ট সিনেমা প্রযোজিত এই ধারাবাহিকের সাম্প্রতিক প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, কম্পাস এবং বিহানকে তাদের কলেজ থেকে অত্যন্ত অপমানজনকভাবে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষের সাফ নির্দেশ—কলেজের চৌহদ্দিতে তাদের আর কোনো অধিকার নেই এবং ভবিষ্যতে প্রবেশও নিষিদ্ধ।
সবকিছু হারিয়ে যখন চারপাশ অন্ধকার, তখন লড়াইয়ের ময়দান ছাড়ে না কম্পাস। সে হাল ছাড়ার পাত্রী নয়। অপমান আর বঞ্চনার জবাব দেওয়ার শপথ নিয়ে সে ঘোষণা করে যে, এই কলেজ সে পুনরুদ্ধার করবেই। সিলেবাসের বাইরে আসা জীবনের এই কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে সে এক মুহূর্তের জন্যও দ্বিধাগ্রস্ত নয়। তার এই আত্মবিশ্বাস এবং জেদই এখন ধারাবাহিকের মূল আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিপদ যখন সঙ্গী হয়, তখন ভালোবাসার মানুষের পাশে থাকাটাই সবথেকে বড় শক্তি। বিহানও কম্পাসের হাত শক্ত করে ধরেছে। নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াইয়ে তারা দুজনেই একে অপরের পরম বন্ধু। কোনো সহায়-সম্পত্তি না থাকায় তারা বেছে নেয় পথের ধারের এক নতুন ঠিকানা। ফুটপাথেই তারা শুরু করে নিজেদের স্বপ্নের কোচিং সেন্টার। শূন্য থেকে শুরু করে কীভাবে তারা রুটিরুজি জোগাড় করে এবং জীবনের এই নতুন অধ্যায়টি দর্শকদের কতটা প্রভাবিত করে, তা নিয়ে এখন তুঙ্গে কৌতুহল।
উল্লেখ্য, ‘কম্পাস’ ধারাবাহিকটির সময়সূচিতেও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে এটি সন্ধ্যা ৬টায় সম্প্রচারিত হলেও, ‘বাবলি সুন্দরী’ ধারাবাহিকটি আসার পর মে মাসের মাঝামাঝি থেকে এর সময় পরিবর্তন করা হয়। এখন স্টার জলসার পর্দায় রোজ বিকেল সাড়ে ৫টায় দেখা যাচ্ছে এই লড়াই। ধারাবাহিকের নাম ভূমিকায় অনবদ্য অভিনয় করছেন পর্ণা চক্রবর্তী, এবং তাঁর বিপরীতে বিহান চরিত্রে অর্কপ্রভ রায়ের রসায়ন দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, কোচিং সেন্টারের এই ছোট্ট উদ্যোগ কম্পাস আর বিহানকে তাদের হারানো সম্মান ও কলেজ ফিরিয়ে দিতে পারে কি না।