ঢাকা না দিল্লি? কার কথায় চলবে ভারত! বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে আটকে কড়া বার্তা দিল্লির

ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে আর কোনো আপস নয়। দিল্লি বিমানবন্দরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা জহেদ উর রহমানকে আটকে দিয়ে ভারত জানিয়ে দিল, কূটনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দেশের মাটিতে আর অরাজকতা চালানো যাবে না। বিদেশ মন্ত্রকের আমন্ত্রণে আসা সত্ত্বেও অভিবাসন আধিকারিকদের জেরার মুখে পড়ে শেষপর্যন্ত ভারত সফর বাতিল করে কলম্বোর পথেই ঢাকায় ফিরেছেন ওই উপদেষ্টা।

ঘটনাটি কেবল একজনকে আটকানোর নয়, বরং এটি ভারতের নতুন কঠোর কৌশল। বাংলাদেশে বিএপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারত-বিরোধী ও উগ্রপন্থী শক্তির যে বাড়বাড়ন্ত দেখা দিয়েছে, তার মোকাবিলায় দিল্লি এখন অনেক বেশি সজাগ। একদিকে অনুপ্রবেশ রুখতে বিএসএফ-এর কড়া পদক্ষেপ, অন্যদিকে সীমান্তে নো-ম্যানস ল্যান্ডে আটকে পড়া অনুপ্রবেশকারীদের ফেরাতে ঢাকার অনীহা—এই দ্বিমুখী নীতি আর বরদাস্ত করবে না ভারত।

একদিকে যখন ভারত প্রতিবেশী ধর্ম পালন করে বাংলাদেশকে জ্বালানি তেল দিয়ে সাহায্য করছে, তখন উল্টোদিকে ভারত-বিরোধী অপপ্রচার ও অনুপ্রবেশের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। দিল্লির স্পষ্ট বার্তা, বন্ধুত্ব হবে সমতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে। ভারতের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সামাজিক সুরক্ষা বজায় রাখতে সীমান্ত এখন দুর্ভেদ্য প্রাচীর। অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করলে এখন থেকে শুধুমাত্র কঠোর আইনি ব্যবস্থা ও ফেরত পাঠানোই হবে একমাত্র পরিণতি। ভারত এখন অতীতের দুর্বল সীমান্ত নীতির দিন পেরিয়ে নিরাপত্তার প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।