আধ্যাত্মিক শক্তির পীঠস্থান কৈঞ্চি ধাম আশ্রম। সম্প্রতি আশ্রমের প্রতিষ্ঠা দিবসকে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশ থেকে আসা ভক্তদের ঢল নেমেছিল সেখানে। নিম করোলি বাবার দর্শন ও তাঁর শিক্ষা গ্রহণের জন্য হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমেছিল। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই, আগামীকাল জ্যৈষ্ঠ মাসের সপ্তম ‘বড় মঙ্গল’ উপলক্ষে কৈঞ্চি ধামে ফের ভক্তদের এক বিশাল জনসমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাবা নিম করোলি ও হনুমানজির বিশেষ সংযোগ: বিংশ শতাব্দীর অন্যতম মহাপুরুষ বাবা নিম করোলিকে ভক্তরা স্বয়ং ভগবান হনুমানের অবতার বলে মনে করেন। তিনি নিজে ছিলেন হনুমানজির একনিষ্ঠ উপাসক। জ্যৈষ্ঠ মাসের মঙ্গলবারগুলো ‘বড় মঙ্গল’ বা ‘বুধওয়া মঙ্গল’ হিসেবে পরিচিত, যা হনুমানজির আরাধনার জন্য অত্যন্ত পবিত্র দিন। তাই বড় মঙ্গলের সাথে বাবা নিম করোলির আশীর্বাদ লাভের একটি নিবিড় সংযোগ খুঁজে পান ভক্তরা।
কেন কৈঞ্চি ধামে ভিড় করছেন ভক্তরা? কৈঞ্চি ধাম শুধু একটি আশ্রম নয়, বরং এটি লক্ষ লক্ষ মানুষের অটুট বিশ্বাসের ঠিকানা। ভক্তদের বিশ্বাস:
মনোবাঞ্ছা পূর্ণ: বড় মঙ্গলের দিনে এখানে পুজো দিলে জীবনের সমস্ত বাধা দূর হয়।
আধ্যাত্মিক শান্তি: আশ্রমের পবিত্র পরিবেশ ভক্তদের মনে গভীর শান্তির সঞ্চার করে।
ঐতিহ্যবাহী উৎসব: বিশেষ বিশেষ তিথিতে এখানে বিশাল ভোজ (ভাণ্ডারা) ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যা এই স্থানের মাহাত্ম্য আরও বাড়িয়ে দেয়।
সপ্তম বড় মঙ্গল ও প্রস্তুতি: প্রতিষ্ঠা দিবসের আমেজ শেষ হতে না হতেই সপ্তম বড় মঙ্গল পড়ায় ভক্তদের উৎসাহ তুঙ্গে। আগামীকাল কৈঞ্চি ধামে ভক্তিপূর্ণ পরিবেশের পাশাপাশি বিশেষ প্রার্থনা ও ভাণ্ডারার আয়োজন করা হয়েছে। যারা বাবার অলৌকিক জীবনদর্শন ও আধ্যাত্মিকতায় বিশ্বাসী, তাদের কাছে এটি একটি অনন্য সুযোগ। আশ্রম কর্তৃপক্ষও ভক্তদের ভিড় সামলাতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
আপনি যদি আগামীকাল আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও আশীর্বাদ পেতে চান, তবে কৈঞ্চি ধামে গিয়ে বাবা নিম করোলি ও হনুমানজির দর্শন করতে পারেন।





