ফুটপাত থেকে সুপারস্টার! মিঠুন চক্রবর্তীর জীবনকাহিনি বড় পর্দায় দেখতে চান এই নামী পরিচালক

পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের জীবন নিয়ে তৈরি ‘মাইকেল’ সিনেমাটি মুক্তির পর বিশ্বজুড়ে কিংবদন্তিদের অজানা লড়াই ও সাফল্যের গল্প নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই এবার ভারতীয় সিনেমার অন্দরমহলে এক অন্য প্রশ্ন তুলে দিলেন বিশিষ্ট পরিচালক সঞ্জয় গুপ্তা। তাঁর মতে, আমাদের দেশীয় একজন মহাতারকার জীবনী এখনও কেন বড় পর্দার অপেক্ষায়—সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

সঞ্জয় গুপ্তার দাবি মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক নিয়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করে নিজের ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে সঞ্জয় গুপ্তা সরাসরি মন্তব্য করেছেন, মাইকেল জ্যাকসনের জীবন নিয়ে যদি সিনেমা হতে পারে, তবে মিঠুন চক্রবর্তীর জীবন নিয়ে বায়োপিক অনেক আগেই তৈরি হওয়া উচিত ছিল। তাঁর মতে, মিঠুন চক্রবর্তীর লড়াই, ত্যাগ, প্রত্যাখান এবং শেষে সুপারস্টার হয়ে ওঠার যে সফর, তা সাধারণ দর্শকদের জানার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। পরিচালক মনে করেন, মিঠুনের পুরো জীবনটাই যেন নিজেই একটি সিনেমার চিত্রনাট্য।

গৌরাঙ্গ থেকে ‘মিঠুন দা’ আজ গোটা ভারত যাঁকে ‘মিঠুন দা’ নামে চেনে, তাঁর যাত্রাপথ মোটেও সহজ ছিল না। কলকাতার এক সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া গৌরাঙ্গ চক্রবর্তীর স্বপ্ন ছিল আকাশছোঁয়া। কলকাতার ওরিয়েন্টাল সেমিনারি ও স্কটিশ চার্চ কলেজে রসায়ন নিয়ে পড়াশোনা করলেও, তাঁর মন পড়ে থাকত অভিনয়ের আঙিনায়। সেই অদম্য টানেই তিনি পৌঁছে যান পুনের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ায় (FTII)।

কেন বায়োপিক জরুরি? ফুটপাত থেকে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সর্বোচ্চ শিখর স্পর্শ করা—এই রূপকথার মতো উত্থানের গল্পের প্রতিটি পরতে জড়িয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা আর কঠোর পরিশ্রম। সঞ্জয় গুপ্তার এই মন্তব্য এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন করে বিতর্ক ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সিনেপ্রেমীরাও মনে করছেন, এমন এক বর্ণময় চরিত্রের জীবনকাহিনি সেলুলয়েডে উঠে আসাটা সময়ের দাবি।

এখন দেখার বিষয়, সঞ্জয় গুপ্তার এই প্রস্তাবিত বা বায়োপিকের দাবির প্রেক্ষিতে বলিউডের কোনো প্রযোজনা সংস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর এই অনুপ্রেরণামূলক জীবনচিত্র নিয়ে এগিয়ে আসে কি না।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy