বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোনো ক্যাম্পাস দখল করে বিলাসবহুল বাগানবাড়ি তৈরির অভিযোগ উঠল স্থানীয় তৃণমূল নেতা শঙ্কর চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর থেকে সরকারি সামগ্রী পাচার করার সময় তাঁকে হাতেনাতে পাকড়াও করে ছাতনা থানার পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
কী অভিযোগ? ২০১৮ সালে বাঁকুড়ার ছাতনা থেকে বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস শুশুনিয়ায় সরিয়ে নেওয়া হয়। অভিযোগ, সেই সুযোগেই ক্যাম্পাসের ২৯ একর জমি দখল করে নেন শঙ্কর। অভিযোগ রয়েছে, ক্লাসরুমগুলোকে হোটেলের কায়দায় সাজিয়ে সেখানে পোলট্রি খামার ও চাষবাস চালাচ্ছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার লরিতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল্যবান সামগ্রী অন্যত্র সরানোর সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন তিনি। ছাতনার বিধায়ক সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ডিন নিজে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশি অ্যাকশন: অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই গ্রেপ্তার করা হয় ওই তৃণমূল নেতাকে। তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি জমিতে অনুপ্রবেশ, বিশ্বাসভঙ্গ, চুরি, প্রতারণা ও সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসসহ একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা রুজু করেছে ছাতনা পুলিশ। শুক্রবার আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে ২ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
পাল্টা সাফাই তৃণমূলের: সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে শঙ্কর চক্রবর্তী দাবি করেছেন, তাঁকে রাজনৈতিক চক্রান্তে ফাঁসানো হয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতিতেই কৃষকদের প্রশিক্ষণের জন্য ওই জমিতে গাছ লাগানো ও চাষবাস করা হতো। উৎপাদিত ফসল নাকি নিয়ম মেনেই বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দেওয়া হতো।





