শ্রেয়া পাণ্ডে ঘনিষ্ঠ কল্যাণ শুক্লাকে তলব ইডির! সোনা পাপ্পু কাণ্ডে কী লুকিয়ে আছে আরবানার ফ্ল্যাটে?

সোনা পাপ্পু মামলার তদন্তে নজিরবিহীন গতি এল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) তৎপরতায়। এই মামলায় ধৃত ব্যবসায়ী জয় কামদারের সূত্র ধরে এবার তদন্তের জালে শ্রেয়া পাণ্ডে ঘনিষ্ঠ কল্যাণ শুক্লা। বুধবার ইডি-র তলবে হাজিরা দিতে সশরীরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দপ্তরে পৌঁছান তিনি। সূত্রের খবর, কল্যাণ শুক্লাকে নিয়ে ইডি-র এই কড়াকড়ির নেপথ্যে রয়েছে গত কিছুদিনের তদন্তের ফলাফল।

কিছুদিন আগেই কল্যাণ শুক্লার আরবানার বিলাসবহুল আবাসনে ইডি অভিযান চালিয়েছিল। সেই তল্লাশি অভিযান থেকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা জয় কামদারের সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথিপত্র উদ্ধার করেছেন বলে জানা গেছে। মূলত, এই তথ্যগুলোকে যাচাই করার জন্যই কল্যাণ শুক্লাকে আজ জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, জয় কামদারের মোবাইল ফোনের চ্যাট হিস্ট্রি খতিয়ে দেখে ইডি আধিকারিকরা কল্যাণ শুক্লার সঙ্গে তাঁর গভীর যোগসূত্রের বেশ কিছু প্রমাণ পেয়েছেন। এই চ্যাট হিস্ট্রি থেকেই উঠে এসেছে আর্থিক তছরুপের একাধিক ইঙ্গিত।

তদন্তের স্বার্থে ইডি ইতোমধ্যেই কল্যাণ শুক্লার ৩টি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে। গোয়েন্দাদের দাবি, ওই মোবাইলগুলির ভেতরে থাকা তথ্যের মধ্যে এমন অনেক নথি রয়েছে, যা সোনা পাপ্পু মামলার রহস্য উন্মোচনে বড় ভূমিকা নিতে পারে। আজ ইডি দপ্তরে জিজ্ঞাসাবাদের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে সেই বাজেয়াপ্ত মোবাইলগুলি এবং তাতে থাকা মেসেজ বা কথোপকথনের বিস্তারিত বিবরণ। ইডি সূত্রে আরও খবর, কল্যাণ শুক্লাকে আজ মুখোমুখি বসিয়ে জয় কামদারের সঙ্গে তাঁর আর্থিক লেনদেন এবং আরবানার বাড়িতে লুকিয়ে থাকা যাবতীয় রহস্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইবেন তদন্তকারীরা। সোনা পাপ্পু মামলার শিকড় কতদূর বিস্তৃত, তা আজ কল্যাণ শুক্লাকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমেই অনেকটা পরিষ্কার হবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক ও তদন্তকারী মহলের একাংশ।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy