লেবাননে যুদ্ধের আগুন আবারও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বড় ধরনের অভিযান শুরু করেছে। উপকূলীয় শহর টায়ার এবং এর আশেপাশের বাসিন্দাদের অবিলম্বে বাড়িঘর খালি করে জাহরানি নদীর উত্তরে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, হিজবুল্লাহর তৎপরতা দমনে এই সামরিক পদক্ষেপ অপরিহার্য।
এদিকে, ইসরায়েলি বিমান হামলায় দেইর আমেস গ্রামে দুজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ক্রমাগত বোমাবর্ষণে এলাকাগুলোতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দুয়াইর ও নাবাতিয়ার মতো বিধ্বস্ত ভবনগুলো থেকে উদ্ধারকর্মীরা ২৯ জনকে উদ্ধার করেছেন, তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকের আটকা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ত্রাণ কার্যক্রম চালাতে গিয়ে উদ্ধারকর্মীরা চরম ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।
পাল্টা জবাবে হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, জাওতার আল-শারকিয়ায় তাদের যোদ্ধারা রকেট ও ড্রোন দিয়ে ইসরায়েলি সামরিক অবস্থানের ওপর হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি সৈন্যদের সঙ্গে সরাসরি হাতাহাতি লড়াইয়ের খবরও পাওয়া গেছে। এরপরই ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো আব্বাসিয়েহ, টায়ার এবং রাশিদিয়েহ শরণার্থী শিবিরের কাছে ব্যাপক বোমাবর্ষণ শুরু করে। ২ মার্চ থেকে চলমান এই সংঘাত এখন পর্যন্ত ৩,২৬৯ জনের প্রাণ কেড়েছে এবং আহত হয়েছে প্রায় ৯,৮৪০ জন। ক্রমবর্ধমান এই সহিংসতা পুরো অঞ্চলটিকে এক পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে।





