ই-ফার্মেসির অনৈতিক ব্যবসার প্রতিবাদে ‘অল ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন অফ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস’ (AIOCD) ডাকা দেশব্যাপী ধর্মঘটে পশ্চিমবঙ্গে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেল। ধর্মঘটের ডাক সত্ত্বেও রাজ্যের অধিকাংশ বড় কর্পোরেট ফার্মেসি চেইন, হাসপাতালের ওষুধের দোকান এবং সরকারি ‘জন ঔষধি’ বা ‘অমৃত’ ফার্মেসিগুলো স্বাভাবিকভাবেই খোলা ছিল। ফলে সাধারণ রোগীদের ওষুধের জোগানে কোনো সমস্যা হয়নি।
রাজ্যের ‘বেঙ্গল কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস অ্যাসোসিয়েশন’ (BCDA)-এর সদস্যরা মূলত এই ধর্মঘটে অংশ নিয়েছেন। সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের প্রায় ৩২,০০০ ইউনিটের মধ্যে বড় অংশ এই ধর্মঘটে শামিল হলেও, সরকারি সাশ্রয়ী ওষুধের দোকান ও পাড়ার কিছু খুচরো দোকান খোলা থাকায় জনজীবনে তেমন প্রভাব পড়েনি।
AIOCD-র মূল অভিযোগ, ই-ফার্মেসি অ্যাপগুলি ‘ডিপ ডিসকাউন্টিং’ বা অস্বাভাবিক ছাড়ের মাধ্যমে প্রথাগত ওষুধ ব্যবসায়ীদের পথে বসাচ্ছে। পাশাপাশি, অনলাইনে ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে নজরদারির অভাব ও ভুয়ো প্রেসক্রিপশনে নেশার ওষুধ বিক্রির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। তারা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছে ই-ফার্মেসির ডিজিটাল শিথিলতা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। যদিও সরকারি সূত্রে খবর, ওষুধের অনলাইন বিক্রির নিয়মাবলী বর্তমানে পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে যাতে ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রবৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে।





