‘সোনা পাপ্পু’ মামলায় এবার নতুন মোড়। যত দিন যাচ্ছে, এই আর্থিক কেলেঙ্কারির জাল ততই ছড়িয়ে পড়ছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকদের। ইডি সূত্রের খবর, এই চক্রটি কেবল স্থানীয় স্তরে সীমাবদ্ধ নয়, এর পেছনে রয়েছে একটি প্রভাবশালী ‘ত্রিমুখী নেক্সাস’ বা যৌথ চক্র। প্রভাবশালীদের মদত, হাওয়ালা কারবারি এবং অন্তর্বর্তী এজেন্টদের হাত ধরেই এই চক্রের রমরমা চলছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে।
কিন্তু এই চক্রের মূল শিকড় পর্যন্ত পৌঁছাতে গিয়ে বড়সড় ধাক্কা খাচ্ছেন তদন্তকারীরা। ইডির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ধৃত বা জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়া ব্যক্তিরা তদন্তে বিন্দুমাত্র সহযোগিতা করছেন না। বয়ানের অসঙ্গতি এবং বারবার তথ্য গোপন করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যার ফলে তদন্তের গতি শ্লথ হয়ে পড়ছে।
গোয়েন্দাদের দাবি, এই ত্রিমুখী চক্রের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার নয়ছয় হয়েছে। কাদের কাছে এই টাকা পৌঁছাত এবং এই নেক্সাসের আসল চাঁই কারা, তা জানতে এখন মরিয়া ইডি। তদন্তে এই অসহযোগিতার কারণে আগামীদিনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনি পদক্ষেপ বা হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানাতে পারে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
সোনা পাপ্পু কাণ্ডের এই ত্রিমুখী যোগসূত্র শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে থামে এবং ইডির পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেটাই দেখার।





