নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই রাজ্যের প্রতিটি কোণায় পরিবর্তনের হাওয়া। এবার সেই হাওয়ায় পালে হাওয়া দিতে বাংলার বন্ধ শিল্প ও বিনিয়োগ নিয়ে বড়সড় ঘোষণা করলেন শমীক ভট্টাচার্য। বাংলায় শিল্পের চাকা ফের সচল করাই যে তাঁদের সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য, সেই বার্তা এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে রাজ্যকে বিনিয়োগের সেরা গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার এক নতুন রূপরেখা পেশ করেছেন তিনি।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “বাংলার মেধা এবং সম্পদ এক সময় গোটা দেশকে পথ দেখাত। কিন্তু গত কয়েক দশকে শিল্পবিমুখতায় সেই গৌরব ম্লান হয়েছে। আমাদের সরকার ক্ষমতায় এসেই লক্ষ্য নিয়েছে, বাংলার হারানো সেই শিল্প সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার। আমরা কেবল প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি না, শিল্পপতিদের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনাও শুরু হয়েছে।” তিনি জানান, বিনিয়োগ টানতে কোনো বিশেষ জটিলতা রাখা হবে না এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় শিল্পস্থাপনের কাজ চলবে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যে বেকারত্ব দূর করা এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য স্থানীয়ভাবে কাজের সুযোগ তৈরি করাই এই মুহূর্তে নতুন সরকারের সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। শমীক ভট্টাচার্যের এই আশ্বাস সেই লক্ষ্যেই এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সূত্রের খবর, বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলির পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পেও (MSME) বিশেষ প্যাকেজ এবং কর ছাড়ের ঘোষণা করতে পারে সরকার।
ইতিমধ্যেই জেলাভিত্তিক শিল্পতালুকগুলির বর্তমান অবস্থা খতিয়ে দেখার কাজ শুরু হয়েছে। যে সব কল-কারখানা বছরের পর বছর বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে, সেগুলিকে পুনরায় চালু করার বিষয়ে আইনি জট কাটানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে, শমীক ভট্টাচার্যের হাত ধরে বাংলার শিল্পের আকাশে নতুন সূর্যোদয় হয় কি না, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আপামর রাজ্যবাসী। ডেইলিয়ান্ট-এর পাতায় নজর রাখুন এই সংক্রান্ত সবথেকে দ্রুত খবরের জন্য।





