মধ্যপ্রদেশের জনকল্যাণ ও পরিকাঠামো উন্নয়নে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে মোট ২৬,৮০০ কোটি টাকার একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসা, কৃষি এবং শিক্ষা—এই তিন স্তম্ভকে মজবুত করতেই এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
পড়ুয়াদের জন্য ‘বিগ গিফট’: সবচেয়ে বড় চমক দেওয়া হয়েছে অনগ্রসর শ্রেণীর (Backward Class) ছাত্রছাত্রীদের জন্য। হোস্টেল প্রকল্পের অধীনে থাকা পড়ুয়াদের মাসিক বৃত্তির পরিমাণ ছিল ১,৫৫০ টাকা। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে তা একলাফে বাড়িয়ে করা হয়েছে ১০,০০০ টাকা। অর্থাৎ, এখন থেকে প্রায় সাড়ে ৬ গুণ বেশি সরকারি অনুদান পাবেন পড়ুয়ারা।
স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় বড় বিনিয়োগ: রাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থার খোলনলচে বদলে দিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে:
রেওয়ার সুপার-স্পেশালিটি হাসপাতালের সম্প্রসারণের জন্য ১৭৪.৮ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে।
চিকিৎসা শিক্ষা এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির আধুনিকীকরণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪৯০ কোটি টাকা।
কৃষি ও সেচে নজর: কৃষকদের সুবিধার্থে এবং চাষের জমিতে জল পৌঁছে দিতে সেচ প্রকল্পগুলিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভার এই অনুমোদনের ফলে রাজ্যের কয়েক হাজার হেক্টর জমি নতুন করে সেচের আওতায় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এক নজরে মন্ত্রিসভার মূল সিদ্ধান্ত:
অনগ্রসর শ্রেণীর স্কলারশিপ ১,৫৫০ থেকে বেড়ে ১০,০০০ টাকা।
রেওয়া হাসপাতালের জন্য ১৭৪.৮ কোটি টাকা।
চিকিৎসা শিক্ষা ও অঙ্গনওয়াড়ির জন্য ৪৯০ কোটি টাকা।
মোট অনুমোদিত প্রকল্পের অর্থমূল্য ২৬,৮০০ কোটি টাকা।
মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে গৃহীত এই উন্নয়নমূলক পদক্ষেপগুলি রাজ্যের সামাজিক ও অর্থনৈতিক মানচিত্র বদলে দেবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।





