২০২৬ সালের গ্রীষ্মকাল সাধারণ মানুষের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মৌসম ভবন (IMD) জানিয়েছে, এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে ভারতের অধিকাংশ রাজ্যে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, বিহার এবং অন্ধ্রপ্রদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশিদিন ‘হিটওয়েভ’ বা তাপপ্রবাহ বজায় থাকবে।
কেন এই চরম পরিস্থিতি?
আবহাওয়াবিদদের মতে, এল নিনোর (El Niño) প্রভাব এবং আরব সাগরে তৈরি হওয়া বিপরীত ঘূর্ণাবর্তের কারণে স্থলভাগে শুষ্ক ও গরম বাতাস প্রবেশ করছে। এর ফলে বাতাসে জলীয় বাষ্প কম থাকায় তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে। বেশ কিছু জায়গায় তাপমাত্রা ৪৫° সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বাংলার পরিস্থিতি কী?
দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে, বিশেষ করে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে ইতিমধ্যেই পারদ ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। কলকাতায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তির কারণে ‘ফিলস লাইক’ তাপমাত্রা আরও বেশি অনুভূত হবে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতেও এবার গরমের দাপট গত কয়েক বছরের তুলনায় বেশি থাকবে।
হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচতে চিকিৎসকদের পরামর্শ:
গরমে সুস্থ থাকতে নীচের টিপসগুলো অবশ্যই মেনে চলুন:
জল পান: তৃষ্ণা না পেলেও দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার জল পান করুন। সঙ্গে ডাবের জল বা ওআরএস (ORS) রাখতে পারেন।
পোশাক: হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরুন। বাইরে বেরোলে ছাতা, চশমা ও টুপি ব্যবহার করুন।
সময়: দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত সরাসরি রোদে না বেরোনোই ভালো।
খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন। তরমুজ, শসা ও জলসমৃদ্ধ ফল বেশি করে খান।





