উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দলে নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন কেন্দ্রীয় এজেন্সির পাশাপাশি এবার সরাসরি নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিশানা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, তাঁর নিজের বিধানসভা কেন্দ্র (ভবানীপুর)-সহ একাধিক জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে বেআইনিভাবে ভোট লুট করার পরিকল্পনা করছে বিজেপি।
“তিনটে ওয়ার্ড বেছে নেওয়া হয়েছে”
জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, “আমি খবর পেয়েছি, আমার কনস্টিটিউয়েন্সির (ভবানীপুর) তিনটে নির্দিষ্ট ওয়ার্ড বেছে নেওয়া হয়েছে। ওখানে সেন্ট্রাল ফোর্সকে কাজে লাগিয়ে ছাপ্পা ভোট করানোর ছক কষা হয়েছে।” তিনি সরাসরি অভিযোগ তোলেন যে, বুথের বাইরে ভোটারদের ভয় দেখানো হবে এবং বাহিনীর জওয়ানরা বুথের ভেতরে গিয়ে বেআইনি কাজ করবে।
মমতার আক্রমণের মূল পয়েন্টগুলো:
বাহিনীর অপব্যবহার: কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার বদলে বিজেপির ‘ক্যাডার’ হিসেবে কাজ করছে বলে অভিযোগ তাঁর।
বিজেপি-কে হুঁশিয়ারি: মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভোটের দিন মা-বোনেরা খুন্তি হাতে দাঁড়িয়ে থাকবেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভয় দেখিয়ে ভোট লুট করা যাবে না।”
কমিশনের ভূমিকা: নির্বাচন কমিশন কেন বাহিনীর এই অতিসক্রিয়তা নিয়ে চুপ, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
রাজনৈতিক চাপানউতোর
মমতার এই অভিযোগের পর পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, নিজের কেন্দ্রে হার নিশ্চিত বুঝেই এখন অগ্রিম হারের অজুহাত খাড়া করছেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রতিটি বুথেই ওয়েব কাস্টিং এবং কড়া নিরাপত্তা থাকবে, তাই ছাপ্পা ভোটের প্রশ্নই ওঠে না।
উত্তপ্ত জগদ্দল
এদিন জগদ্দলের সভা থেকে কেবল কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, স্থানীয় অর্জুন সিং-এর গড় নিয়েও একাধিক হুঁশিয়ারি দেন মমতা। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, বাংলার মানুষ দিল্লির কাছে মাথা নত করবে না।





