বিশ্ব রাজনীতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প মানেই চেনা মেজাজের বাইরে কিছু করা। এবার ইরানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৮ মহিলার প্রাণ বাঁচাতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মঙ্গলবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ (Truth Social) একটি আবেগঘন পোস্ট করে ইরান সরকারের কাছে এই মানবিক আরজি জানান তিনি।
ঠিক কী লিখেছেন ট্রাম্প?
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি রিপোর্টের ভিত্তিতে ট্রাম্প জানতে পারেন যে, ইরানে বিভিন্ন অভিযোগে ৮ জন মহিলাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে চলেছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই ট্রাম্প লিখলেন, “আমি ইরান সরকারকে অনুরোধ করছি এই ৮ জন মহিলার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করার জন্য। মানবিকতার খাতিরে তাঁদের ছেড়ে দিন। বিশ্ব তাকিয়ে আছে।”
কেন এই অনুরোধ তাৎপর্যপূর্ণ?
আমেরিকা ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘকাল ধরেই তিক্ত। বিশেষ করে ট্রাম্পের শাসনকালে ইরানের ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছিল। সেই জায়গা থেকে দাঁড়িয়ে ট্রাম্পের এই সরাসরি অনুরোধ আন্তর্জাতিক মহলে নতুন সমীকরণ তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ঘটনার প্রেক্ষাপট:
সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাম্পেইন: বেশ কয়েকদিন ধরেই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো ইরানে নারীদের অধিকার এবং এই মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল।
ট্রাম্পের অবস্থান: ট্রাম্প প্রশাসন বরাবরই ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কড়া অবস্থান নিলেও, মানবিক ইস্যুতে ট্রাম্পের এই নমনীয়তা অনেককেই অবাক করেছে।
ইরানের প্রতিক্রিয়া কী?
এখনও পর্যন্ত তেহরানের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের এই বার্তার কোনো আনুষ্ঠানিক উত্তর দেওয়া হয়নি। তবে ট্রাম্পের এই পোস্টের পর আন্তর্জাতিক স্তরে ইরানের ওপর চাপ বাড়বে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ২০২৬-এর এই সময়ে দাঁড়িয়ে আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে যখন শান্তি ফেরানোর চেষ্টা চলছে, তখন এই অনুরোধ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।





