বলিউডের গ্ল্যামার দুনিয়ায় পা রাখার আগে থেকেই তিনি ছিলেন লাইমলাইটে। শ্রীদেবী এবং বনি কাপুরের বড় মেয়ে হিসেবে প্রত্যাশার পারদ ছিল আকাশচুম্বী। কিন্তু সাফল্যের আলো ঝলমলে পর্দার আড়ালে জাহ্নবী কাপুরের জীবনেও ছিল এক অন্ধকার অধ্যায়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের সেই ‘অ্যালকোহল আসক্তি’ ও মানসিক লড়াই নিয়ে মুখ খুললেন ‘ধড়ক’ অভিনেত্রী।
কেন নেশায় ডুবেছিলেন জাহ্নবী?
জাহ্নবী জানান, কেরিয়ারের শুরুর দিকে এবং ব্যক্তিগত জীবনের কিছু জটিলতার কারণে তিনি প্রচণ্ড মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই অবসাদ কাটাতে এবং একাকিত্ব ভুলতে তিনি মদ্যপানকে সঙ্গী করে নিয়েছিলেন। অভিনেত্রী স্বীকার করেন, সেই সময়টা তাঁর জীবনের অন্যতম কঠিন সময় ছিল এবং তিনি প্রায় প্রতিদিনই নেশার ঘোরে থাকতেন।
সাক্ষাৎকারে জাহ্নবীর সেই বিস্ফোরক তথ্যসমূহ:
মানসিক অবসাদ: বাইরে থেকে হাসিহাসি মুখ দেখালেও ভেতর থেকে ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিলেন তিনি।
ভুল সিদ্ধান্ত: আবেগের বশে ভুল জীবনযাত্রা বেছে নিয়েছিলেন, যা তাঁর স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছিল।
মায়ের স্মৃতি ও একাকিত্ব: শ্রীদেবীর প্রয়াণের পর সেই শূন্যতা কাটাতে গিয়েও অনেক সময় নিজেকে সামলাতে পারতেন না তিনি।
কীভাবে ফিরলেন স্বাভাবিক জীবনে?
জাহ্নবী জানান, কেবল পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সহযোগিতায় তিনি এই মরণনেশা থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পেরেছেন। তিনি উপলব্ধি করেন যে, নেশা কোনো সমাধান নয় বরং এটি জীবনকে আরও অন্ধকারে ঠেলে দেয়। এরপর থেকেই শরীরচর্চা এবং কাজে মন দিয়ে তিনি নিজেকে আমূল বদলে ফেলেন।
তরুণ প্রজন্মের প্রতি বার্তা
বর্তমানে জাহ্নবী কাপুর ফিটনেস ফ্রিক হিসেবে পরিচিত। নিজের জীবনের এই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে তিনি তরুণ প্রজন্মকেও সতর্ক করেছেন। তাঁর কথায়, “অন্ধকার সময় সবার জীবনে আসে, কিন্তু নেশার মধ্যে মুক্তি খোঁজা সবথেকে বড় বোকামি।”





