২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল বঙ্গ রাজনীতি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রস্তাবক হিসেবে পরিচিত এক ব্যক্তির বাড়িতে হানা দিয়ে ৮.০৮ কেজি ওজনের সোনার বাট উদ্ধারের দাবি তুলল বিজেপি। এই বিপুল পরিমাণ সোনার উৎস কী, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেছে গেরুয়া শিবির।
বিজেপির বিস্ফোরক অভিযোগ
বিজেপির আইটি সেলের প্রধান এবং রাজ্যের শীর্ষ নেতারা সমাজমাধ্যমে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছেন। তাঁদের দাবি:
মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ এবং তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রস্তাবক হিসেবে উপস্থিত থাকা ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে এই বিপুল সোনা উদ্ধার হয়েছে।
এই সোনার বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা।
বিজেপির প্রশ্ন, “একজন সাধারণ নেতার বাড়িতে এত ওজনের সোনার বাট কোত্থেকে এল? এটা কি কয়লা বা বালি পাচারের টাকা, যা দিয়ে সোনা কেনা হয়েছে?”
নির্বাচনী আবহে চাঞ্চল্য
ভোটের ঠিক আগে এই ঘটনা বিরোধী শিবিরের হাতে বড় অস্ত্র তুলে দিয়েছে। বিরোধী দলনেতার দাবি, “তৃণমূলের পিসি-ভাইপো থেকে শুরু করে প্রস্তাবক—সবার বাড়িতেই কুবেরের ধন লুকানো আছে। ইডি (ED) এবং সিবিআই (CBI)-কে এই বিষয়ে দ্রুত তদন্ত শুরু করতে হবে।”
তৃণমূলের পাল্টা জবাব
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবশ্য এই অভিযোগকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন এবং ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘাসফুল শিবিরের দাবি: ১. নির্বাচনের মুখে ভাবমূর্তি নষ্ট করতে বিজেপি কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে নোংরা খেলা খেলছে। ২. প্রস্তাবকের বাড়িতে সোনা পাওয়ার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কোনও সম্পর্ক নেই। ৩. বিজেপি যদি প্রমাণ করতে না পারে, তবে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





