ইরান ও আমেরিকার মতো দুই প্রবল প্রতিপক্ষের মধ্যে শান্তি ফেরাতে ‘মধ্যস্থতাকারী’ সেজেছিল পাকিস্তান। কিন্তু আন্তর্জাতিক মঞ্চে শান্তি স্থাপন করতে গিয়ে নিজেদের চরম আর্থিক দৈন্যদশাই ফাঁস করে ফেলল ইসলামাবাদ। ১০ থেকে ১২ এপ্রিল ইসলামাবাদের অতি-বিলাসবহুল ‘সেরেনা হোটেল’-এ আয়োজিত হয়েছিল দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের রুদ্ধদ্বার বৈঠক। কিন্তু বৈঠকের শেষে যা ঘটল, তা কল্পনাকেও হার মানায়। অভিযোগ উঠেছে, ওই বিলাসবহুল হোটেলের কয়েক লক্ষ টাকার বকেয়া বিল মেটাতে স্রেফ অপরাগতা প্রকাশ করেছে পাকিস্তান সরকার।
সূত্রের খবর, বিল মেটানো নিয়ে জল এতটাই গড়িয়েছে যে হোটেলের মালিককে স্বয়ং হস্তক্ষেপে নামতে হয়। আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের সামনেই বকেয়া পাওনা আদায়ের জন্য মালিকের এই তৎপরতা পাকিস্তানের জন্য চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। যদিও পাক প্রশাসন এখনও সরকারিভাবে এই বিষয়ে মুখ খোলেনি, কিন্তু নেটপাড়ায় ইতিমধ্যেই হাসির রোল উঠেছে। সমালোচকরা বলছেন, যারা নিজের হোটেলের বিল দিতে পারে না, তারা আবার দুই পরমাণু শক্তিধর দেশের সংঘাত মেটাবে কী করে? এই ঘটনা পাকিস্তানের গভীর আর্থিক সংকট এবং প্রশাসনিক অযোগ্যতাকেই বিশ্বের দরবারে উলঙ্গ করে দিল। আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের মতে, একটি বড় মাপের কূটনৈতিক সম্মেলনের আয়োজনে এই ধরণের ‘প্রাথমিক ব্যর্থতা’ স্রেফ লজ্জাজনক নয়, বরং এটি ইসলামাবাদের দেউলিয়া অর্থনীতিরই চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।





