ভোটের মুখে ইডির ‘চরম মরিয়া’ রূপ! আই-প্যাক ডিরেক্টরের গ্রেফতারি নিয়ে বিস্ফোরক তৃণমূল, মুখ খুললেন বিরোধী দলনেতা

বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক ৯ দিন আগে আই-প্যাক (I-PAC) কর্তা বিনেশ চান্দেলের গ্রেফতারি ঘিরে বাংলা রাজনীতিতে শুরু হয়েছে লঙ্কাকাণ্ড। সোমবার রাতে কয়লা পাচার মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হন বিনেশ। তাঁকে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার সরাসরি ময়দানে নামলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও শুভেন্দু অধিকারী।

‘ময়দানে লড়াইয়ের ক্ষমতা নেই বিজেপির’: চন্দ্রিমা

মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্য সরকারের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানান। ইডির নাম বদলে তিনি বলেন, ইডি এখন ‘Extremely Desperate’ সংস্থায় পরিণত হয়েছে। চন্দ্রিমার দাবি, “বিজেপি বুঝতে পেরে গেছে তাদের হার নিশ্চিত। তাই সরাসরি ময়দানে লড়াই করার ক্ষমতা হারিয়ে তারা এখন ইডি-সিবিআই-এর মতো সংস্থাকে নির্লজ্জভাবে ব্যবহার করছে। এটি গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক।”

‘সবাই জানে কয়লার টাকা গোয়ায় গেছে’: শুভেন্দু

চন্দ্রিমার এই আক্রমণের পাল্টা জবাব দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন, এই গ্রেফতারি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। শুভেন্দুর দাবি, “সবাই জানে কয়লা পাচারের টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে আই-প্যাকের কাছে গিয়েছিল এবং সেই টাকা গোয়া নির্বাচনে ব্যবহার করা হয়েছিল। এতে নতুন কিছু নেই। যা হয়েছে, তা আসলে অনেক দেরিতে হয়েছে।”

তদন্তের গতিপ্রকৃতি

ইডি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে কয়লা পাচারের ২০ কোটি টাকা বেআইনিভাবে আই-প্যাকের কাছে গিয়েছিল। এই লেনদেনের সূত্র ধরেই ২ এপ্রিল বিনেশের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। বিনেশ চান্দেলের গ্রেফতারির পর এবার সংস্থার অন্য অধিকর্তা প্রতীক জৈনের স্ত্রী এবং ভাই পুলকিত জৈনকেও তলব করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy