“BJP প্রার্থীকে ঘিরে চরম অশান্তি!”-মহিলা বাহিনীর রণংদেহি মূর্তি; কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে পুলিশ

ভোটের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে, তিলোত্তমার রাজনৈতিক পারদ ততই চড়ছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই এন্টালি ও বরাহনগর এলাকায় শাসক ও বিরোধী শিবিরের সংঘাতকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। দফায় দফায় সংঘর্ষ, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি এবং লালবাজার অভিযানে উত্তপ্ত মহানগরী।

এন্টালিতে প্রিয়াঙ্কাকে ঘিরে উত্তেজনা: মঙ্গলবার সকালে এন্টালির ধাপা এলাকায় প্রচারে বেরিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। অভিযোগ, প্রচার চলাকালীন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আচমকাই বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয়। পরিস্থিতি মুহূর্তের মধ্যে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দু’পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি এবং পাল্টা স্লোগানে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। বহু মহিলাকেও মারমুখী মেজাজে দেখা যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং নিরাপত্তার দাবিতে পরে বিজেপি প্রতিনিধি দল লালবাজারে গিয়ে অভিযোগ জানায়।

বরাহনগরে সজল ঘোষের থানা ঘেরাও: একই অস্থিরতা দেখা গিয়েছে উত্তর শহরতলির বরাহনগরেও। সোমবার রাতে প্রচার সেরে ফেরার পথে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। খবর পাওয়ামাত্রই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। রাতেই তিনি বরাহনগর থানার সামনে অনুগামীদের নিয়ে বিক্ষোভ দেখান। সজলের সাফ হুঁশিয়ারি, দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার না করা পর্যন্ত আন্দোলন থামবে না।

প্রশাসনের চ্যালেঞ্জ: কলকাতার এই দুই কেন্দ্রেই এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত মিলছে। একদিকে এন্টালিতে তৃণমূলের হেভিওয়েট স্বর্ণকমল সাহার বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কার লড়াকু মনোভাব, অন্যদিকে বরাহনগরে সজল ঘোষের হাই-ভোল্টেজ প্রচার— সব মিলিয়ে রাজনৈতিক সংঘাত কমানো এখন প্রশাসনের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।

ভোটের আগে এই দফায় দফায় সংঘর্ষ কি কেবল শুরু? না কি পুলিশি হস্তক্ষেপে শান্ত হবে শহর? উত্তরের অপেক্ষায় সাধারণ মানুষ।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy