ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে এক স্বর্ণালী অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। আসন্ন সংসদীয় অধিবেশনের প্রাক্কালে মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে ফের একবার গর্জে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর মতে, একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হতে চলেছে এই বিলের বাস্তবায়ন।
সম্প্রতি বিজ্ঞান ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, “ভারত একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম বড় একটি সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে। ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় রচিত হতে চলেছে নারীশক্তির হাত ধরে।” লোকসভা ও বিধানসভাগুলিতে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত করার এই লক্ষ্যকে তিনি ‘নারী শক্তি বন্দন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
প্রতিবেদনের মূল আকর্ষণ:
২০২৯-এর টার্গেট: সরকার লক্ষ্য নিয়েছে যাতে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকেই মহিলারা এই সংরক্ষণের সুবিধা পেতে শুরু করেন।
বিশেষ অধিবেশন: বিলটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য আগামী ১৬ থেকে ১৮ এপ্রিল সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে।
ঐতিহাসিক পদক্ষেপ: মোদি সরকার এই বিলটির মাধ্যমে গত চার দশকের প্রতীক্ষার অবসান ঘটাতে চাইছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নয়, বরং সামাজিক ন্যায়বিচারের এক বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। তাঁর কথায়, “যখন মহিলারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সরাসরি যুক্ত হবেন, তখনই দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব।”
ইতিমধ্যেই এই বিলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে সাজ সাজ রব শুরু হয়েছে। সব পক্ষকে এককাট্টা হয়ে এই বিল পাসে সাহায্য করার আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।





