“আর চলবে না গ্যাসের কালোবাজারি!” সিলিন্ডার নিয়ে মোদী সরকারের বড় ঘোষণা, বদলে যাচ্ছে নিয়ম

রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার থেকে গ্যাস চুরি বা কালোবাজারি রুখতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিল মোদী সরকার। গ্রাহকদের অভিযোগ ছিল, অনেক সময়ই সিলিন্ডারে ওজনে কম গ্যাস থাকছে। এবার সেই অসাধু কারবার চিরতরে বন্ধ করতে প্রতিটি এলপিজি (LPG) সিলিন্ডারে কিউআর কোড (QR Code) বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কীভাবে কাজ করবে এই নয়া প্রযুক্তি? সিলিন্ডারের গায়ে থাকা এই ডিজিটাল কিউআর কোডটি আসলে আধার কার্ডের মতো কাজ করবে।
ট্র্যাকিং সুবিধা: সিলিন্ডারটি কোথায় রিফিল হয়েছে, কোন ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে গিয়েছে এবং কার কাছে ডেলিভারি হচ্ছে—তার প্রতিটি ধাপ ট্র্যাক করা যাবে।
জালিয়াতি রোধ: যদি কোনো ডিস্ট্রিবিউটর বা ডেলিভারি বয় মাঝপথে সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের করে নেয়, তবে কিউআর কোড স্ক্যান করলেই ধরা পড়ে যাবে সিলিন্ডারের গতিবিধি।
পুরোনো সিলিন্ডারের হদিশ: অনেক সময় মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া বিপজ্জনক সিলিন্ডার বাজারে ঘোরে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই সিলিন্ডারগুলোকেও সহজে চিহ্নিত করা যাবে।
গ্রাহকদের জন্য সুবিধা: এখন থেকে গ্রাহকরা সিলিন্ডার নেওয়ার সময় ফোনে স্ক্যান করেই দেখে নিতে পারবেন সেটি আসল কি না এবং তাতে কতটা গ্যাস আছে। প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার সুবিধাভোগী থেকে শুরু করে সাধারণ মধ্যবিত্ত—সব শ্রেণির মানুষের সুরক্ষায় এই সিদ্ধান্ত গেম-চেঞ্জার হতে চলেছে বলে মনে করছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক।
কবে থেকে কার্যকর? কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী আগেই জানিয়েছিলেন যে, ধাপে ধাপে দেশের প্রতিটি সিলিন্ডারকে এই কিউআর কোড ব্যবস্থার অধীনে আনা হচ্ছে। ২০২৬-এর মধ্যে দেশের প্রতিটি বাড়িতে এই হাই-টেক সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সরকার।
এর ফলে সিলিন্ডারের অবৈধ মজুতদারি এবং চুরিতে যেমন লাগাম পরবে, তেমনই স্বচ্ছতা আসবে ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমে।