গত মাসেই রাজস্থানের উদয়পুরে ধুমধাম করে চার হাত এক হয়েছে ভারতের ‘ন্যাশনাল ক্রাশ’ রশ্মিকা মান্দানা এবং দক্ষিণী সুপারস্টার বিজয় দেবরাকোন্ডার। বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই এল রশ্মিকার জীবনের আরও এক বিশেষ দিন— তাঁর জন্মদিন। তবে বিয়ের পর প্রথম এই জন্মদিনটি কেবল স্বামী বিজয়ের ভালোবাসায় নয়, বরং বাবার এক বিশেষ চমকে সিক্ত হয়ে উঠল।
বাবার সেই বিশেষ সারপ্রাইজ: বিয়ের পর এটিই রশ্মিকার প্রথম জন্মদিন যা তিনি কর্ণাটকের কুর্গে নিজের বাপের বাড়িতে নয়, বরং বিজয়ের সঙ্গে হায়দরাবাদের বাড়িতে কাটাচ্ছেন। খুব স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের জন্য মন কেমন করছিল অভিনেত্রীর। কিন্তু সকাল হতেই তাঁর কাছে পৌঁছায় বাবার পাঠানো এক বিশাল উপহারের বাক্স। তাতে কী ছিল?
সূত্রের খবর, রশ্মিকার বাবা এম.এ মান্দানা মেয়ের জন্য পাঠিয়েছেন একটি হাতে লেখা চিঠি এবং একটি দুর্লভ ফটো অ্যালবাম, যেখানে রশ্মিকার শৈশব থেকে বিয়ের পিঁড়ি পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্তের ছবি সাজানো রয়েছে। সেই চিঠি পড়তে গিয়েই আর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি রশ্মিকা। স্বামীর সামনেই কেঁদে ফেলেন তিনি।
বিজয় দেবরাকোন্ডার ভূমিকা: স্ত্রীকে সামলাতে দেরি করেননি বিজয়। সারপ্রাইজ কেবল বাবা দেননি, স্বামী হিসেবে বিজয়ও চেষ্টার খামতি রাখেননি। জানা গিয়েছে, রশ্মিকাকে একটি হিরের নেকলেস উপহার দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি সন্ধেবেলা ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এক ডিনার পার্টির আয়োজনও করেছেন ‘অর্জুন রেড্ডি’ তারকা।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল পোস্ট: রশ্মিকা তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে বাবার সেই চিঠির একটি অংশ শেয়ার করে লিখেছেন, “বিয়ের পর সব বদলে যায় ভাবতাম, কিন্তু আমার বাবার ভালোবাসা আজও সেই ছোট্ট মেয়েটির মতোই রয়ে গিয়েছে। থ্যাঙ্ক ইউ পাপা।” নেটিজেনরা এই আবেগঘন মুহূর্ত দেখে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন নবদম্পতিকে।
বিজয় ও রশ্মিকা, যাঁদের রসায়ন পর্দায় বারবার মন জয় করেছে, বাস্তবেও তাঁদের এই সুন্দর মুহূর্তগুলো ভক্তদের কাছে এক বড় পাওনা। ২০২৬-এর এই বসন্ত যেন রশ্মিকার জীবনে এক নতুন খুশির বার্তা নিয়ে এল।





