আসছে আরও ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী! বাংলায় অবাধ ভোটের লক্ষ্যে মাস্টারস্ট্রোক নির্বাচন কমিশনের!

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনকে নিশ্ছিদ্র এবং নিরপেক্ষ করতে এবার বড়সড় পদক্ষেপ নিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হলো—নির্বাচনের কোনো কাজেই ব্যবহার করা যাবে না সিভিক ভলিউন্টিয়ার (Civic Volunteers) এবং গ্রিন পুলিশ (Green Police)

কমিশনের কড়া ফতোয়া: রাজ্যের মুখ্য সচিব ও মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে (CEO) চিঠি পাঠিয়ে কমিশন স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে যে, ভোটের তিন দিন আগে থেকে ভোট গ্রহণের এক দিন পর পর্যন্ত সিভিক ভলিউন্টিয়ার বা গ্রিন পুলিশদের কোনোভাবেই নির্বাচনের ময়দানে রাখা যাবে না। শুধু তাই নয়, এই সময়কালে তারা তাদের নির্দিষ্ট ইউনিফর্ম পরেও কোনো দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। মূলত ভোটারদের ওপর কোনো প্রকার চাপ বা প্রভাব সৃষ্টি রুখতেই কমিশনের এই কড়া সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

আসছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী: শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে এবার রাজ্যকে আক্ষরিক অর্থেই ‘দুর্গে’ পরিণত করতে চাইছে কমিশন। সূত্রের খবর:

  • আগে থেকেই ২৪০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

  • এবার অতিরিক্ত আরও ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF/SAP) পাঠানোর নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

  • আগামী ১৮ এপ্রিলের মধ্যে এই বাহিনী রাজ্যে পৌঁছে যাবে।

কোন কোন রাজ্য থেকে আসছে বাহিনী? এবার কেবল CRPF বা BSF নয়, বাংলার ভোট সামলাতে নিয়ে আসা হচ্ছে মিজোরাম, মেঘালয়, অসম, মধ্যপ্রদেশ, বিহার, মহারাষ্ট্র ও ছত্তিশগড়ের মতো রাজ্যগুলির বিশেষ পুলিশ বাহিনীকেও (SAP)। সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর মোট ৯৫ কোম্পানি এবং বিভিন্ন রাজ্যের ৫৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

কেন এই সিদ্ধান্ত? রাজ্যের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং বিগত নির্বাচনগুলির অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এবার কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ কমিশন। বিশেষ করে দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ সিভিক ভলিউন্টিয়ারদের ভূমিকা নিয়ে বিরোধী দলগুলো বারবার প্রশ্ন তুলে আসছিল। সেই চাপ বজায় রেখেই কমিশন এবার সিভিকদের সরাসরি নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিল।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy