সুরাপ্রেমীদের জন্য বড় খবর! মদ কেনা এখন আরও সহজ হতে চলেছে চণ্ডীগড়ে। মদের দোকানের খোঁজে আর অলিগলি ঘুরতে হবে না গ্রাহকদের, কারণ এবার পেট্রোল পাম্পেই মিলবে পছন্দের পানীয়। চণ্ডীগড় প্রশাসনের নতুন আবগারি নীতিতে (Excise Policy) এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
যেখানে যেখানে মিলবে মদ:
নতুন নীতি অনুযায়ী, শুধুমাত্র পেট্রোল পাম্প নয়, এখন থেকে শপিং মল এবং স্থানীয় বাজারের বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলোতেও বিদেশি মদ, ওয়াইন এবং বিয়ার বিক্রি করা যাবে। চণ্ডীগড় প্রশাসনের লক্ষ্য হলো মদ কেনার প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করে তোলা।
ডিজিটাল লেনদেন ও কড়া নজরদারি:
পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে একগুচ্ছ কড়া নিয়ম জারি করেছে প্রশাসন:
-
ডিজিটাল পেমেন্ট: প্রতিটি মদের দোকানে কার্ড পেমেন্ট ও পিওএস (POS) মেশিন রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
-
অ্যালকোহল মিটার: গ্রাহকদের অতিরিক্ত মদ্যপান থেকে সচেতন করতে বার, হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলোতে অ্যালকোহল মিটার বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
-
জিপিএস ট্র্যাকিং: অবৈধ পাচার রুখতে মদ পরিবহনকারী প্রতিটি যানবাহনে জিপিএস লাগানো বাধ্যতামূলক।
-
সিসিটিভি মনিটরিং: সিসিটিভি-র মাধ্যমে লাইভ নজরদারি চালানো হবে প্রতিটি বিক্রয়কেন্দ্রে।
একনজরে নতুন পলিসির বিশেষ দিক:
| বিষয় | নতুন নিয়ম/পরিবর্তন |
| মোট দোকান | ৯৭টি লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকান। |
| দাম | ভারতীয় মদ ও বিয়ারের দাম সর্বোচ্চ ২% বাড়তে পারে। |
| কাজের সময় | বোতলজাতকরণ কারখানাগুলো সপ্তাহে ৬ দিন খোলা থাকবে। |
| সহজলভ্যতা | পেট্রোল পাম্প, শপিং মল ও ডিপার্টমেন্টাল স্টোর। |
চণ্ডীগড় প্রশাসনের দাবি, এই নতুন নীতির ফলে একদিকে যেমন গ্রাহকদের সুবিধা বাড়বে, তেমনই মদের কালোবাজারি ও অবৈধ কারবার সম্পূর্ণ বন্ধ করা সম্ভব হবে। প্রশাসনের এই আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি সারা দেশের আবগারি ব্যবস্থায় এক নতুন দিশা দেখাতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।