সারাদিনের ব্যস্ততার পর অগোছালো ঘরে ফিরলে মন আরও ক্লান্ত হয়ে পড়ে। আবার ছুটির দিনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘর পরিষ্কার করার কথা ভাবলেও আলস্য লাগে। কিন্তু আপনি কি জানেন, মাত্র ২০ মিনিটের একটি ‘স্মার্ট রুটিন’ আপনার ঘরকে করে তুলতে পারে আয়নার মতো ঝকঝকে? কোনো পেশাদার সাহায্য ছাড়াই ঝটপট ঘর গোছানোর সেরা কিছু উপায় দেখে নিন।
সময় ভাগ করে নিন (টাইমার সেট করুন):
১. বর্জ্য ও অপ্রয়োজনীয় জিনিস বিদায় (৫ মিনিট):
ঘর পরিষ্কারের প্রথম ধাপ হলো ডাস্টবিন হাতে নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়া। অদরকারি কাগজ, প্লাস্টিক বা জঞ্জাল সরিয়ে ফেলুন। সোফার ওপর ছড়িয়ে থাকা কাপড়গুলো এক জায়গায় জড়ো করুন। চোখের সামনে থেকে অগোছালো জিনিস সরলেই ঘর অনেকটা গোছানো দেখায়।
২. ডাস্টিং বা ধুলো মোছা (৫ মিনিট):
একটি মাইক্রোফাইবার কাপড়ে সামান্য ক্লিনার বা জল ছিটিয়ে দ্রুত টিভি ইউনিট, টেবিল এবং জানালার কাঁচ মুছে নিন। মনে রাখবেন, সবসময় ওপর থেকে নিচে মুছবেন, যাতে ধুলো মেঝেতে পড়ে।
৩. বিছানা ও কুশন ঠিক করা (৫ মিনিট):
বিছানা যদি অগোছালো থাকে, তবে পুরো ঘরই নোংরা দেখায়। বিছানার চাদর টানটান করুন এবং বালিশগুলো সাজিয়ে রাখুন। সোফার কুশনগুলো একটু ঝেড়ে ঠিকঠাক করে রাখলেই ঘরে আসবে নতুন জেল্লা।
৪. মেঝে পরিষ্কার (৫ মিনিট):
সবশেষে ঝটপট ঘর ঝাড়ু দিয়ে একটি সুগন্ধি ফ্লোর ক্লিনার দিয়ে ঘর মুছে নিন। ঘর মোছার জলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস বা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিলে ঘরের গুমোট ভাব কেটে যাবে এবং চমৎকার সুগন্ধ ছড়াবে।
ঘর পরিষ্কার রাখার ৩টি গোল্ডেন রুল:
সাথে সাথে কাজ: কোনো জিনিস ব্যবহারের পর তা নির্দিষ্ট জায়গায় রাখার অভ্যাস করুন। এটি আপনার পরিষ্কারের সময় বাঁচাবে।
বিছানা ছাড়ার আগে: সকালে ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথে বিছানা গোছানোর অভ্যাস করলে ঘর গুছিয়ে রাখা অনেক সহজ হয়।
সবুজ গাছ: ঘরের কোণে ছোট ছোট ইনডোর প্ল্যান্ট রাখুন। এতে ঘর যেমন পরিচ্ছন্ন দেখায়, তেমনই বাতাসের বিশুদ্ধতা বজায় থাকে।
এডিটরের বিশেষ টিপস: ঘর মোছার সময় জলের সাথে সামান্য ভিনেগার মিশিয়ে নিতে পারেন, এতে মেঝের তেলতেলে ভাব দূর হয় এবং পোকামাকড় কম আসে।