ফুসফুসের ক্যান্সার বলতেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে একজন ধুমপায়ী পুরুষের ছবি। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় চিকিৎসকরা যে তথ্য দিচ্ছেন, তা রীতিমতো রক্তহিম করা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ঐতিহাসিকভাবে পুরুষদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বেশি থাকলেও, বর্তমানে মহিলাদের মধ্যে ফুসফুসে ক্যান্সারের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরুষদের ফুসফুসের ক্যান্সারের প্রধান কারণ হলো ধূমপান এবং কর্মক্ষেত্রে কলকারখানার দূষণ। কিন্তু অবাক করার মতো বিষয় হলো, যারা কোনোদিন ধূমপান করেননি (Non-smokers), সেই তালিকায় মহিলাদের সংখ্যাই বেশি। এর পেছনে কাজ করছে রান্নাঘরের ধোঁয়া, বায়ুদূষণ এবং শরীরের বিশেষ কিছু হরমোন। মহিলারা পুরুষদের তুলনায় অনেক বেশি ‘অ্যাডিনোকার্সিনোমা’ নামক এক বিশেষ ধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন।
চিকিৎসকদের দাবি, মহিলারা অনেক ক্ষেত্রে লক্ষণগুলোকে সাধারণ কাশি বা ক্লান্তি ভেবে অবহেলা করেন। তাই দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাসকষ্ট বা বুকে ব্যথা হলে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে দ্রুত স্ক্রিনিং করানো জরুরি। মনে রাখবেন, ক্যান্সার যখন ঘাতক হয়, তখন সে লিঙ্গভেদ করে না।