SIR-এর আবহে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অগ্নিমিত্রা পল, ‘বাংলাদেশিদের অ্যাকাউন্টে রাজ্যের করের টাকা কেন?’

রাজ্যে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের কাজ (SIR) চলছে, যা নিয়ে শাসকদল তৃণমূল এবং বিরোধী বিজেপি-র মধ্যে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। বিজেপি SIR-এর পক্ষে সওয়াল করলেও, তৃণমূল প্রথম থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছে। এদিন, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় SIR বন্ধ করার আর্জি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখেছেন এবং এই প্রক্রিয়াকে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ বলেও অভিহিত করেছেন।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অগ্নিমিত্রা:
এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে রাজ্যের সবথেকে জনপ্রিয় প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। একটি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি গুরুতর অভিযোগ তুলে প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
অগ্নিমিত্রা পলের প্রশ্ন: “আমাদের করের টাকা থেকে কীভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বাংলাদেশিদের অ্যাকাউন্টে ঢুকল? বহু সংখ্যক মহিলা, তাঁরা বাংলাদেশের বাসিন্দা, তারাও টাকা পাচ্ছেন! কত সংখ্যক বাংলাদেশি মহিলাকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া হয়েছে?”
সুবিধাভোগীর দাবি: সাক্ষাৎকারের সূত্র ধরে জানানো হয়েছে যে, SIR-এ নাম না থাকা সত্ত্বেও এক মহিলা জানিয়েছেন, তিনি বাংলাদেশি এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছেন।
তদন্তের দাবি:
বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা কতজন বাংলাদেশি মহিলার অ্যাকাউন্টে গিয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, রাজ্যের মানুষের করের টাকা কেন অন্য দেশের মানুষের পিছনে খরচ করা হবে। তাঁর দাবি, এই অর্থ যেন রাজ্যের মানুষের জন্যই খরচ করা হয়।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের গুরুত্ব:
উল্লেখ্য, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প রাজ্যের সবথেকে জনপ্রিয় প্রকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মহিলাদের মাসে ₹১২০০ এবং তফসিলি জাতি ও উপজাতি মহিলাদের মাসে ₹১৫০০ করে দেওয়া হয়। এই প্রকল্পের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বার্ষিক খরচ প্রায় ₹১১,০০০ কোটি টাকা এবং সুবিধেভোগীর সংখ্যা ২ কোটিরও বেশি।
রাজ্যে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের কাজ (SIR) চলছে, যা নিয়ে শাসকদল তৃণমূল এবং বিরোধী বিজেপি-র মধ্যে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। বিজেপি SIR-এর পক্ষে সওয়াল করলেও, তৃণমূল প্রথম থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছে। এদিন, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় SIR বন্ধ করার আর্জি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখেছেন এবং এই প্রক্রিয়াকে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ বলেও অভিহিত করেছেন।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অগ্নিমিত্রা:
এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে রাজ্যের সবথেকে জনপ্রিয় প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। একটি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি গুরুতর অভিযোগ তুলে প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
অগ্নিমিত্রা পলের প্রশ্ন: “আমাদের করের টাকা থেকে কীভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বাংলাদেশিদের অ্যাকাউন্টে ঢুকল? বহু সংখ্যক মহিলা, তাঁরা বাংলাদেশের বাসিন্দা, তারাও টাকা পাচ্ছেন! কত সংখ্যক বাংলাদেশি মহিলাকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া হয়েছে?”
সুবিধাভোগীর দাবি: সাক্ষাৎকারের সূত্র ধরে জানানো হয়েছে যে, SIR-এ নাম না থাকা সত্ত্বেও এক মহিলা জানিয়েছেন, তিনি বাংলাদেশি এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছেন।
তদন্তের দাবি:
বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা কতজন বাংলাদেশি মহিলার অ্যাকাউন্টে গিয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, রাজ্যের মানুষের করের টাকা কেন অন্য দেশের মানুষের পিছনে খরচ করা হবে। তাঁর দাবি, এই অর্থ যেন রাজ্যের মানুষের জন্যই খরচ করা হয়।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের গুরুত্ব:
উল্লেখ্য, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প রাজ্যের সবথেকে জনপ্রিয় প্রকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মহিলাদের মাসে ₹১২০০ এবং তফসিলি জাতি ও উপজাতি মহিলাদের মাসে ₹১৫০০ করে দেওয়া হয়। এই প্রকল্পের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বার্ষিক খরচ প্রায় ₹১১,০০০ কোটি টাকা এবং সুবিধেভোগীর সংখ্যা ২ কোটিরও বেশি।