ব্যস্ত জীবনে এবং তীব্র গরমে ফলমূল, শাকসবজি ও রান্না করা খাবার তাজা রাখতে ফ্রিজ অপরিহার্য। তবে ২৪ ঘণ্টা চলার কারণে ফ্রিজ একটি বড় অঙ্কের বিদ্যুৎ বিল বাড়াতে পারে। বিদ্যুৎ বিল দেখে কপালের ভাঁজ দূর করতে ফ্রিজ ব্যবহারের কয়েকটি সহজ কৌশল মেনে চললেই সাশ্রয় করা সম্ভব।
বিদ্যুৎ বিল কমানোর ৫ কৌশল:
১. ফ্রিজ খালি রাখবেন না: অনেকেই মনে করেন ফ্রিজে বেশি জিনিস রাখলে বিল বেশি আসে, যা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। ফ্রিজের ভেতরে জায়গা ফাঁকা থাকলে ঠান্ডা তাপমাত্রা ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায়। এতে কম্প্রেসারের উপর চাপ পড়ে এবং বিল বেশি আসে। তাই ফ্রিজে পর্যাপ্ত খাবার রাখুন, তবে খেয়াল রাখবেন যেন বাতাস চলাচল করতে পারে।
২. প্রয়োজন অনুযায়ী তাপমাত্রা ঠিক করুন: আবহাওয়া অনুযায়ী ফ্রিজের তাপমাত্রা নির্ধারণ করা জরুরি। শীতকাল ও গ্রীষ্মকালে ফ্রিজের তাপমাত্রা একই হওয়া উচিত নয়। গরমে তাপমাত্রা সামান্য বাড়িয়ে রাখুন। এছাড়া, ফ্রিজ যথেষ্ট ঠান্ডা হয়ে গেলে মাঝে মাঝে কিছুক্ষণের জন্য বন্ধও করে দিতে পারেন।
৩. ফ্রিজের দরজা খুলে রাখবেন না: ফ্রিজ থেকে জিনিস বের করার পর অনেকেই দরজা বন্ধ করতে ভুলে যান। দরজা খুলে রাখলে ভেতরের ঠান্ডা বাতাস দ্রুত বেরিয়ে যায়। ফলে ফ্রিজকে পুনরায় ঠান্ডা করার জন্য কম্প্রেসরের উপর বাড়তি চাপ পড়ে এবং বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে। জিনিস বের করার পরই সঙ্গে সঙ্গে দরজা বন্ধ করুন।
৪. গরম খাবার ফ্রিজে রাখবেন না: তাড়াহুড়ো করে গরম খাবার সরাসরি ফ্রিজে রাখবেন না। ফ্রিজে রাখার আগে খাবার অবশ্যই পুরোপুরি ঠান্ডা করে নিন। গরম খাবার ঢোকালে সেটি ঠান্ডা করতে কম্প্রেসরের ওপর দ্বিগুণ চাপ পড়ে, যা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ বাড়ায়।
৫. দরকার না থাকলে বন্ধ রাখুন: যদি বাড়িতে ফ্রিজে রাখার মতো কোনো শাকসবজি বা খাবার না থাকে, তাহলে প্রয়োজন না পড়লে ফ্রিজ বন্ধ করে রাখুন। ফ্রিজ একটানা বন্ধ রাখলে কিছুটা হলেও বিদ্যুৎ বিল কম আসবে।