সাবধান! মুখের লোম তোলার আগে এই ৪টি পদ্ধতির ভুল টেকনিক জানুন, না মানলে ত্বক হতে পারে ক্ষতিগ্রস্ত!

অধিকাংশ মহিলাই মুখের অতিরিক্ত লোম তুলতে পার্লারে যান। অনেকে বাড়িতেই বিভিন্ন ফেশিয়াল কিট ব্যবহার করেন। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না মুখের লোম তোলার আগে কিছু টেকনিক আছে। সেইগুলি মেনে না চললে ক্ষতি হতে পারে আপনার ত্বকের। মুখের ত্বক শরীরের সবথেকে সূক্ষ্ম জায়গাগুলোর মধ্যে একটি। অতএব তাকে রক্ষা করার দায়িত্বও অনেক বেশি। মুখের লোম তুলতে গিয়ে কমবেশি সবাই কোনো না কোনো ভুল করে বসেন। সেই ভুল যাতে পরবর্তীকালে আপনার রূপের ক্ষতি না করে, সেই টিপস নিয়েই এই আলোচনা।
বিভিন্ন ধরণের পদ্ধতিতেই আজকাল সবাই লোম তোলেন। প্রতিটি পদ্ধতির জন্যই রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ টিপস:
১) লেজার হেয়ার রিমুভাল (Laser Hair Removal):
সুবিধা: লেজার ট্রিটমেন্টে যে রেজাল্ট পাওয়া যায় তা দীর্ঘস্থায়ী। ভবিষ্যতে লোমের গ্রোথটাকেও অনেকটা কম করে দেয় এবং মোটা লোম ওঠা বন্ধ করে। এই হেয়ার রিমুভালে ত্বকে কোনো ব্যথা হয় না।
ঝুঁকি: কোনো নামীদামী জায়গা থেকে এই লেজার রিমুভাল না করালে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে আপনার ত্বকের।
পরামর্শ: এই পদ্ধতি যথেষ্ট ব্যয়সাপেক্ষ। এক্সপার্টের গাইডেন্স ছাড়া এই পদ্ধতিতে না যাওয়াই ভালো। ত্বকের ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করেই এই পদ্ধতিতে যাওয়া সঠিক।
২) শেভিং (Shaving):
সুবিধা: হেয়ার রিমুভালের ক্ষেত্রে শেভিংয়ের থেকে চটজলদি পদ্ধতি আর কোথাও নেই।
ঝুঁকি: তাড়াহুড়োতে শেভ করতে গিয়ে কেটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এই পদ্ধতি একেবারেই দীর্ঘস্থায়ী নয়; কয়েকদিনের মধ্যে আবার শেভ করতে হয়।
পরামর্শ: সঠিক টেকনিকে রেজর ব্যবহার করলে কোনো অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। রেজর দিয়ে শেভ করার পর কোনো ভালো লোশন ব্যবহার করুন, তাতে আপনার ত্বকও পুড়ে যাবে না এবং নরম থাকবে।
৩) থ্রেডিং (Threading):
জনপ্রিয়তা: মুখের লোম তোলার দিক থেকে থ্রেডিংটাই অধিকাংশ মহিলারা পছন্দ করেন। তবে এটিও লংলাস্টিং নয়; একবার করাবার দু’দিনের মধ্যে আবার করতে হয়।
ঝুঁকি: এটি বেশ দামী পদ্ধতি। এক-এক জন মহিলার এক-এক রকমের ত্বক হওয়ার কারণে থ্রেডিং পদ্ধতিতে ত্বকের খানিক ক্ষতি হতে পারে। কারও খুব বেশি সেনসিটিভ ত্বক হলে খুব সহজেই খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। ভুল পদ্ধতিতে থ্রেড করলে মুখের বিভিন্ন জায়গায় কেটে যেতে পারে।
৪) ওয়্যাক্সিং (Waxing):
সুবিধা: ওয়্যাক্সিংয়ের একটি অভিনব দিক হলো এটি ত্বকের ভেতরের লেয়ার থেকেও মুখের লোম তুলে আনে। অনেকদিন পর ওয়্যাক্সিং করালেও কোনো অসুবিধে হয় না।
ঝুঁকি: ওয়্যাক্সিং ত্বকে বেশ ব্যথা করে, মুখের লোম তোলার সময় আরও ব্যথা করে।
সম্ভাব্য ক্ষতি: ত্বকের অন্যান্য জায়গা যেখানে অতিরিক্ত লোম বেরোয় না, ওয়্যাক্সিংয়ের কারণে সেখানেও লোম বেরিয়ে যেতে পারে (অর্থাৎ লোমের গ্রোথ বেড়ে যেতে পারে)।