‘বন্দে মাতরম’ শুধু সঙ্গীত নয়, ভারতবর্ষের আত্মার প্রতীক! খড়্গপুরের জাহালদায় জাতীয় আবেগঘন পদযাত্রা

ভারত সরকারের নির্দেশ মেনে দেশজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram) জাতীয় সঙ্গীতের দেড়শো বছর পূর্তি দিবস। তারই সঙ্গে তাল মিলিয়ে শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়্গপুর মহকুমার জাহালদায় যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হলো এই ঐতিহাসিক দিনটি। রাষ্ট্রবাদী সংগঠনের উদ্যোগে এই উপলক্ষে আয়োজিত হয় এক বর্ণাঢ্য পদযাত্রা ও প্রদীপ প্রজ্বলন অনুষ্ঠান।

১৫০টি প্রদীপ প্রজ্বলন ও পদযাত্রা
এদিনের কর্মসূচি শুরু হয় সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে। এরপর জাহালদা সংলগ্ন প্রধান সড়ক ধরে অনুষ্ঠিত হয় দেশাত্মবোধক স্লোগানে মুখরিত এক বিশাল পদযাত্রা।

শ্রদ্ধা নিবেদন: পদযাত্রা শেষে স্থানীয় ময়দানে বন্দে মাতরম সঙ্গীতের স্রষ্টা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ১৫০টি প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়।

উৎসবমুখর পরিবেশ: অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন এই জাতীয় আবেগঘন কর্মসূচিতে।

বক্তাদের মুখে ‘আত্মার প্রতীক’
দেশপ্রেমকে উদ্বুদ্ধ করতে এদিন একটি পথসভাও আয়োজিত হয়। পথসভায় বক্তারা ‘বন্দে মাতরম’-এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও জাতীয় চেতনা জাগরণের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন।

পথসভায় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সভাপতি সমিত মন্ডল, জেলা নেতা রঞ্জন ঘোষ, দেব গোপাল বেরা সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

বক্তারা সকলেই একবাক্যে বলেন, “বন্দে মাতরম শুধু একটি সঙ্গীত নয়, এটি ভারতবর্ষের আত্মার প্রতীক, যা আজও আমাদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে।”

দেশাত্মবোধক গান, স্লোগান ও আলোয় আলোকিত প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্যে দিয়ে এই দিনের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে। উপস্থিত সকলে জাতীয় সংহতি ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।