কৃষকদের জন্য মোদির ‘ডাবল ধামাকা’! ভোটে জিতলে বিহারের কৃষকরা বছরে পাবেন ₹৯০০০, বিরাট ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

বিহার বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার এখন তুঙ্গে। এই আবহে রাজ্যবাসীর জন্য বড়সড় ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভোটে এনডিএ জোট জয়ী হলেই বিহারের কৃষকরা কেন্দ্রের কিষাণ নিধি যোজনার ৬,০০০ টাকার সঙ্গে অতিরিক্ত ৩,০০০ টাকা পাবেন বলে জানালেন তিনি। অর্থাৎ, কৃষকরা বছরে মোট ৯,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবেন।

কৃষকদের জন্য ‘ডাবল ধামাকা’
প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, এনডিএ সরকারের নীতিতে বিহারের কৃষকদের উন্নতির জন্য সুস্পষ্ট পথ রয়েছে। তিনি জানান,

“আমাদের সরকার পিএম কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার অধীনে ছোট কৃষকদের বার্ষিক ৬,০০০ টাকা দেয়। এখন, বিহারের নতুন এনডিএ সরকার এটি আরও ৩,০০০ টাকা বাড়াতে চলেছে।”

একই সঙ্গে, বিহারের পশুপালকদের আয় বাড়াতে ‘বিহার ডেয়ারি মিশন’-ও ঘোষণা করা হয়েছে। মাছ উৎপাদন নিয়েও বড় দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিহার একসময় অন্য রাজ্য থেকে মাছ আমদানি করত, কিন্তু বর্তমানে এনডিএ সরকারের নীতির ফলস্বরূপ বিহার এখন অন্য রাজ্যে মাছ বিক্রি করছে।

মহাজোটকে তীব্র আক্রমণ: “নির্বাচনের পর মাথা ফাটবে”
প্রধানমন্ত্রী এদিন বিরোধীদের মহাজোটকেও তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, মহাজোটের শরিকদের মধ্যে বিবাদ এত বেড়েছে যে ইসতেহার বা নির্বাচনী প্রচার—কোথাও কংগ্রেসকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।

“আরজেডি-কংগ্রেসের মধ্যে বিবাদ মারাত্মকভাবে বেড়েছে। ইসতেহারে কংগ্রেসের কথা শোনা যায়নি, প্রচারেও তাদের বিবেচনা করা হচ্ছে না। নির্বাচনের আগেই এত ঘৃণা জন্মেছে যে নির্বাচনের পর তারা একে অপরের মাথা ফাটাবে। তাই, সবসময় মনে রাখবেন, এমন লোকেরা বিহারের ভালো করতে পারে না।”

“মিথ্যার ঝুড়ি” বনাম এনডিএ-র সংকল্প পত্র
মোদি মহাজোটকে “মিথ্যার ঝুড়ি” এবং “জনগণকে বিভ্রান্ত করার প্রচেষ্টা” বলেও উল্লেখ করেন। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “ইয়ে পাবলিক হ্যায়, সব জানতি হ্যায়” (জনগণ সব জানে)।

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ)-এর “সংকল্প পত্রে” শিশুদের শিক্ষা, পরিবারের স্বাস্থ্যসেবা, যুবকদের কর্মসংস্থান এবং কৃষকদের সেচ সুবিধার মতো সুদূরপ্রসারী ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে, জঙ্গলরাজের লোকেরা তাদের ইশতেহারকে “মিথ্যা, প্রতারণা এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার প্রচেষ্টার দলিলে” পরিণত করেছে।

বিহারের ২৪৩ আসনের বিধানসভার জন্য ভোটগ্রহণ দুটি পর্বে ৬ এবং ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনা হবে ১৪ নভেম্বর।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy