ভাইফোঁটার আগের রাতেই পকেটে কোপ! একলাফে বাড়ল মটনের দাম, রেওয়াজি খাসির মাংস কিনতে গেলে কত টাকা গুনতে হবে?

অগ্নিমূল্যের বাজারে চাল, ডাল-সহ সবকিছুর দাম বাড়লেও কয়েক বছর ধরে প্রায় একই জায়গায় স্থির ছিল খাসির মাংসের মূল্য। কিন্তু ভোজনরসিক বাঙালির সবথেকে প্রিয় উৎসব ভাইফোঁটার (Bhai Phonta) আগের রাতেই সেই স্থিতাবস্থায় লাগল বড়সড় ধাক্কা। দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে একলাফে ৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়ল মটনের দাম। দাম শুনে অনেকেই বিষম খেলেও, এই বিশেষ দিনে মটন ছাড়া খাওয়া-দাওয়া অসম্পূর্ণ, তাই ভিড় উপচে পড়েছে মাংসের দোকানে।এক রাতেই দাম বাড়ল ৫০ টাকাশিল্পাঞ্চলে সাধারণত সারা বছর খুব ভালো মানের খাসির মাংসের দাম থাকে ৭৫০-৮০০ টাকা প্রতি কেজি। কিন্তু বিশেষ অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীরা হঠাৎই দাম চড়িয়ে বিক্রি করেন। সেই প্রথা মেনে এবারও দাম বাড়ানো হয়েছে।দুর্গাপুরের বাজারে ভাইফোঁটার আগের দিনের দাম:মাংসের ধরনস্বাভাবিক দাম (কেজি প্রতি)ভাইফোঁটা উপলক্ষে দাম (কেজি প্রতি)চর্বি-সহ মটন৭৫০ টাকা৮০০ টাকাচর্বি ছাড়া মটন৮০০ টাকা৮৫০ টাকাসাধারণ মটনের দাম ৫০ টাকা বাড়লেও, রেওয়াজি খাসির মাংস আরও ২০০-৩০০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে বলে খবর।বেনাচিতি বাজারের মাংস বিক্রেতা গৌরাঙ্গ বাগদি ও কালামুদ্দিন শেখ জানান, প্রতিটি জিনিসপত্রের মূল্য যে হারে বেড়েছে, সেই তুলনায় খাসির মাংসের মূল্য বৃদ্ধি হয়নি। অন্যান্য শহরেও এই উৎসবে আরও বেশি দরে মাংস বিক্রি হচ্ছে।দাম বাড়লেও বিক্রি তুঙ্গে: লক্ষ লক্ষ টাকার ব্যবসাযদিও দাম বেড়েছে, কিন্তু ভাইফোঁটার দিনে মটনের চাহিদা থাকে আকাশছোঁয়া। এই বিশেষ দিনে ভিড় এড়াতে বহু গ্রাহক ভাইফোঁটার আগের দিন বিকেল থেকেই মাংসের দোকানে ভিড় করতে শুরু করেন।শুনলে অবাক লাগতে পারে, শহরের নামজাদা মাংসের দোকানগুলিতে এই বিশেষ দিনে ৮০০ থেকে ১০০০ কেজি পর্যন্ত মাংস বিক্রি হয়। আর এই বিপুল বিক্রির কারণে মাংস বিক্রেতারা এদিন লক্ষ লক্ষ টাকার ব্যবসা করেন এবং তাঁদের মুখে চওড়া হাসি ফোটে। রাতভর শহরের বড় মাংসের দোকানগুলোতে গ্রাহকদের লম্বা লাইন পড়ে যায় পছন্দের মটন কেনার জন্য।